
সুখেন্দুশেখর রায়।
শেষ আপডেট: 15 September 2024 09:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই সোশ্যাল মাধ্যমে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। ন্যায় বিচারের দাবিতে কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়ে সিবিআইকে চিঠিও লিখেছেন সুখেন্দু।
এহেন সুখেন্দুশেখর গত ১৩ সেপ্টেম্বর আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার বিচার চেয়ে আরও একটি টুইট করেছিলেন। ১৫ তারিখ অর্থাৎ রবিবার থেকে সেই টুইটটি আর দেখা যাচ্ছে না তৃণমূল সাংসদের টুইটার পেজে। অর্থাৎ টুইটটি তিনি ডিলিট করে দিয়েছেন। যা নিয়ে অপার কৌতূহল তৈরি হয়েছে সব মহলে।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর সুখেন্দু নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, ''আপনি বেঁচে আছেন ভারতের এবং বিদেশের কোটি কোটি ভারতীয়ের হৃদয়ে। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগে আপনি যে প্রাথমিক তদন্ত বা ন্যায়বিচারের আশা করেছিলেন তা যে এখন হচ্ছে সেটা কেউ বিশ্বাস করে না। আমরা এখনও অসহায়। প্রমাণের সঙ্গে যারা কারচুপি করেছে সেই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।''
১৩ সেপ্টেম্বর টুইট করেছিলেন সুখেন্দুশেখর, যা এখন আর তার পেজে দেখা যাচ্ছে না।
এর আগে এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠিও দেন তিনি। এমন ঘটনা যেন দেশের আর কোথাও ভবিষ্যতে না হয় সেজন্য আরও কঠোর আইন আনা জরুরি বলে দাবি তোলেন সুখেন্দু। শীতকালীন অধিবেশনেই যাতে এই সংক্রান্ত বিল আনা হয়, সে আর্জিও করেন।
আরজি কর ইস্যুতে তাঁর ক্রমাগত এমন পোস্ট যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আরও চাপে ফেলছে তা বলা যায়। সম্প্রতি আরজি কর কাণ্ডের জেরেই রাজ্যসভার পদ ছেড়েছেন তৃণমূলের জহর সরকার। সুখেন্দুও পদ ছাড়বেন কিনা, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে শনিবার রাতে টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তারপরই সুখেন্দুশেখর পোস্টটি মুছে ফেলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কী কারণে তিনি পোস্টটি মুছেছেন তা স্পষ্ট নয়, যা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে সব মহলে।