
সুদীপ্ত রায়
শেষ আপডেট: 20 September 2024 10:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর হাসপাতালের দুর্নীতির তদন্তে তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা সুদীপ্ত রায়কে তলব করেছিল ইডি। বৃহস্পতিবার সেই তলবে সাড়া দিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থার দফতরে গেছিলেন। হাসপাতালের দুর্নীতির তদন্তে ইতিমধ্যে জানা গেছে, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে অনেকে ৫০ হাজার টাকা করে পেতেন! কেন, কীসের টাকা ছিল ওটা সেই বিষয়ে সুদীপ্ত রায়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল।
শ্রীরামপুরের তৃণমূল বিধায়ক সুদীপ্ত রায় আরজি করের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যানও ছিলেন। হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির যাঁদের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ করেছেন সেই তালিকায় তাঁর নামও আছে। তাই আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত শুরুর পর থেকেই সুদীপ্ত রায় কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির স্ক্যানারের আওতায় চলে এসেছেন। এরই মধ্যে ৫০ হাজার টাকার বিষয়টি তিনি সংবাদমাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন।
রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে কেউ ৫০ হাজার টাকা করে কেন নিত? এই প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূলের ডাক্তার বিধায়ক সুদীপ্ত রায় বলেন, অ্যালাউন্সের টাকা ছিল। যারা চাকরি করে না বা অন্যভাবে উপার্জন করে না, এমন তিনজন পেয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তাঁর কথায়, এই টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরাও যোগ্য ছিলেন কিন্তু তিনি কখনও টাকা নেননি। বিধানসভা থেকে যেহেতু তিনি বেতন পান, তাই ওই টাকা নেওয়ার দরকার হয়নি বলেই জানিয়েছেন সুদীপ্ত।
আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তাঁর পর এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি সিবিআই বা ইডি। তাই এখন তৃণমূলের এই বিধায়ককে নিয়ে কৌতূহল বেড়েছে অনেকেরই। সুদীপ্ত রায়ের বাড়ি, নার্সিংহোম, বাগানবাড়িতে ইতিমধ্যে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবারই সিঁথির মোড়ের কাছে বিটি রোডের ধারে সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআইয়ের একটি দল। তাঁর বাড়ি ও বাড়ি লাগোয়া তাঁরই একটি নার্সিং হোমে অভিযান চালিয়েছিলেন আধিকারিকরা। আর দুদিন আগে, মঙ্গলবার উত্তর কলকাতায় সুদীপ্ত রায়ের বাড়ির পাশাপাশি দক্ষিণে বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে পৌঁছয় ইডি। পাশাপাশি রাজ্যের ৬টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় তাঁরা।