
সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলের বাঘ
শেষ আপডেট: 25 March 2024 14:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জীবনে একবারই এরকম দৃশ্যের সাক্ষী থাকা যায়! সত্যিই তাই। সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে একটি ব্যাঘ্রমশাই গুরুগম্ভীর চালে হেঁটে এসে এক লংজাম্পে পেরিয়ে গেলেন খাল। আগেকার সার্কাসের রিং মাস্টারের চাবুকের ভয়ে নয়, একেবারে আপন খেয়ালে নদীপার করল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। বিনোদ শর্মা নামে এক ব্যক্তি ছবিটি এক্সে পোস্ট করার পর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি। কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত ১২১.১ কে ভিউ হয়েছে এটি।
মাত্র একটি লাইনে ভিডিওর শিরোনাম লিখেছেন বিনোদ। আর সেটি হল, সুন্দরবনে। জীবনে একবার তোলার মতো ছবি। ভিডিওটি দেখলে দর্শকরা বুঝতে পারবেন, সত্যিই সুন্দরবনে গিয়ে এরকম ব্যাঘ্রলম্ফন দেখা লটারির টিকিটজয়ীর থেকেও সৌভাগ্যের ব্যাপার।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি বড়সড় বাঘ দুলকি চালে হেঁটে আসছে খালের ধারে। রাজকীয় সেই চলন দেখলেই মোহিত হয়ে যাবে দুনিয়া। তারপর একদম কিনারে এসে সে কী লাফ! মনে হচ্ছে ডানাহীন কোনও বকপাখি উড়ে যাচ্ছে সুদূর আকাশপানে।
বাঘের লং জাম্প... সুন্দরবনের পীরখালির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসছিল রয়েল বেঙ্গল। #TheWallBangla #Sundarbans #tiger #jumped #WestBengal #WestBengalNews pic.twitter.com/7OVeSJU2H2
— The Wall (@TheWallTweets) March 21, 2024
সুন্দরবনে গিয়ে বাঘ দেখতে পাওয়াটাই অন্য অভিজ্ঞতা। বহু মানুষেরই সেই সুযোগ ঘটে না। কিন্তু এই ছবি একেবারেই অন্য রকমের সাক্ষী। নেট পৃথিবীর এক নাগরিক মন্তব্যে লিখেছেন, অভাবনীয় শ্বাসরুদ্ধ করা ছবি। সুন্দরবন সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে অতুলনীয় সৌন্দর্যে ভরা বদ্বীপ ও ম্যানগ্রোভ অঞ্চল। এখানকার প্রতিটি মুহূর্ত রোমাঞ্চকর, অজানা রহস্যের রুদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষা ওঁত পেতে থাকে। অন্য আর একজন কি বোর্ডে আঙুল ফেলে লিখেছেন, জিম করবেটের লেখার কথা মনে পড়ে গেল। যেখানে তিনি লিখে গিয়েছেন, বাঘ কত দূর পর্যন্ত তারা লাফাতে পারে তা অকল্পনীয়।
আরও একজন তাঁর অনুভূতি জানিয়ে লিখেছেন, সুন্দরবনে বাঘ দেখাই দুর্লভ ঘটনা। সে জায়গায় এইরকম একটি দৃশ্য দেখে অভিভূত হয়ে গিয়েছি। গত মাসে মহারাষ্ট্রের সব থেকে প্রাচীন এবং বৃহৎ জাতীয় উদ্যান তাডোবা আন্ধারি ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রে একটি বোতল মুখে পুকুর থেকে হেঁটে যাওয়া বাঘের ছবি দেখেও নেট দুনিয়া এইভাবে আনন্দে উথলে উঠেছিল। জাতীয় উদ্যানের মতো জায়গায় প্ল্যাস্টিকের বোতল ফেল যাওয়া নিয়েও মুখর হয়েছিলেন পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা।