
শেষ আপডেট: 24 June 2023 12:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বরাবর ঠোঁটকাটা। যা মনে করেন, সেটাই বলে দেন। সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলতে বিন্দুমাত্র ভাবেন না। তিনি চিরবিদ্রোহী।
মোহনবাগানের ঘরের ছেলে সুব্রত ভট্টাচার্য বাংলার ফুটবল নিয়ে চরম হতাশ। যত দেখছেন, হতাশ হচ্ছেন। আর ভাল লাগছে না তাঁর। নতুন প্রতিভা উঠে আসছে না, বিদেশিদের ভিড়ে স্থানীয়রা উপেক্ষিত হচ্ছে।
বাংলার ফুটবলে নতুন ট্রেন্ড, প্রশাসনে নেতা-মন্ত্রীদের আধিক্য। আগেও ছিল সেটি। কিন্তু তাঁরা কেউ ক্লাবের প্রশাসনে নাক গলাতেন না। এখন সরাসরি ক্লাবের প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করেন। এই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ পছন্দ নয় বাবলুর। বাগানের সমর্থকদের প্রিয় মানুষটি বলেই দিয়েছেন, এই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ হওয়া দরকার। তাঁরা যদি ফুটবল নিয়ে বুঝত, তা হলে আমার কিছু বলার ছিল না। কিন্তু অর্ধেকের বেশি তৃণমূলীরা ফুটবল নিয়ে বোঝেই না। আমি এসব দেখে হতাশ, মাঠে যেতে ভাল লাগে না।’
১৯৬৯ সালে বালি প্রতিভা ক্লাব থেকে শুরু। তারপর মোহনবাগানে যোগদান। টানা ১৬ বছর খেলেছেন সবুজ মেরুনে। অবসর নেওয়ার পরে ক্লাব কোচিং। ২০১৯ সাল পর্যন্ত কোচিং করিয়েছেন। দীর্ঘ ৫০ বছরের ফুটবল জীবন, তিনি নিজেই মহীরুহ ভারতীয় ফুটবলের।
গলফগ্রিনের বাড়িতে বসে দ্য ওয়ালকে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, ‘আগেও মোহনবাগানে বহু নেতা, মন্ত্রীরা মাঠে আসতেন। দলের খেলা দেখতেন, ফুটবলারদের উৎসাহ দিতেন। কিন্তু ক্লাবে থেকে ক্ষমতা দেখানোর বিষয় ছিল না। এখন তৃণমূলীরা নেতা-মন্ত্রীরা মাঠেই আসছেন নিজেদের প্রভাব খাটানোর জন্য। সব জায়গায় এক বিষয়, আইএফএ-তেও একই কাণ্ড ঘটছে। জানি না কী অপেক্ষা করছে বাংলার ফুটবলের জন্য।’