
ছাত্র সমাজের সাংবাদিক বৈঠক। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 28 September 2024 12:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৭ অগস্ট, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২৭ সেপ্টেম্বর। ধাপে ধাপে এগোচ্ছে ছাত্র সমাজ। নবান্ন অভিযানের পর ফের রাজ্যজুড়ে বড়সড় আন্দোলনে নামতে চলেছে ছাত্র সমাজ।
তারই ধাপ হিসেবে এবার উত্তর থেকে দক্ষিণ, লোকসভা ভিত্তিক ১৮টি জেলা কমিটি গড়ে ফেলল ছাত্র সমাজ। ছাত্র সমাজের তরফে সায়ন লাহিড়ী, শুভঙ্কর হালদাররা বলেন, "শিক্ষার উন্নতি, সমাজসেবা এবং নানা ইস্যুতে মানুষের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ছাত্ররা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তাই জেলায় জেলায় কমিটি গড়া হল।"
আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে গত ২৭ অগস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। অভিযান ঘিরে বিস্তর গোলমাল হয়েছিল। জখম হয়েছিল পুলিশ এবং আন্দোলনকারী দু'পক্ষেরই একাধিকজন। পুলিশের তরফে যেমন আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছিল তেমনই আন্দোলনকারী-সহ বিরোধীরা পুলিশের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ মিছিলে আক্রমণের অভিযোগে সরব হয়েছিল।
ওই অভিযানে বিপুল জন সমর্থন পাওয়ায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর নিজেদের ফেসবুক পেজ থেকে সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। এবার উত্তর থেকে দক্ষিণ, লোকসভা ভিত্তিক জেলা কমিটি গড়ল ছাত্র সমাজ। শীঘ্রই সংগঠনের পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখাও সামনে আনা হবে বলে জানিয়েছেন সায়ন, শুভঙ্কররা।
আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে গত ২৭ অগস্ট নবান্ন অভিযানে নেমেছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। ওই অভিযানকে ঘিরে সেদিন রীতিমতো সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে ওই কর্মসূচিতে মানুষের স্বতস্ফূর্ত সাড়া দেখে ফের একই ধরনের অভিযানে নামতে চলেছে ছাত্র সমাজ। শনিবার সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন নবান্নব অভিযানে ছাত্র সমাজের অন্যতম মুখ শুভঙ্কর হালদার।
এদিন সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, আরজি করের প্রতিবাদে এবং মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তাঁদের আন্দোলন চলবে। তারই অঙ্গ হিসেবে অগস্টের মতো ফের অভিযানে হবে। পুজোর পরে আরও বড় আকারে প্রতিবাদ কর্মসূচি সংগঠিত করা হবে।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে ২৭ অগস্টের নবান্ন অভিযানে কলকাতা-সহ আশেপাশের জেলাগুলি থেকে মানুষ এসেছিলেন। তবে এবারে দক্ষিণের পাশাপাশি উত্তরের জেলাগুলিতেও কমিটি গড়ে ফেলেছে ছাত্র সমাজ। অর্থাৎ আগামী দিনে ছাত্র সমাজের অভিযানে দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি তাতে শামিল হতে পারেন উত্তরবঙ্গের মানুষও।