
শেষ আপডেট: 18 August 2023 13:09
দ্য় ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর (Jadavpur incident) ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly0। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সৌরভ বলেছেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। র্যাগিং বন্ধ করার জন্য তাড়াতাড়ি আইন আনা দরকার। ”
যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। যাদবপুর থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যের অনেক নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এখন অ্যান্টি-র্যাগিং কমিটি তৈরি করছে, প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের আলাদা হস্টেলে রাখার ব্যবস্থা হচ্ছে। কলেজ হস্টেলে বসছে সিসিটিভি ক্যামেরা। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে সৌরভ বলেন, "নদিয়ার নাবালকের মৃত্যু হয়েছে র্যাগিংয়ের কারণে। আমি মর্মাহত। খুবই দুঃখজনক ঘটনা। র্যাগিং বন্ধ করার জন্য অবিলম্বে আইন আনা দরকার।"
যাদবপুর কাণ্ড নিয়ে তদন্ত করছে লালবাজারের হোমিসাইড শাখা। প্রথম গ্রেফতার করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এবং হস্টেলের আবাসিক সৌরভ চৌধুরীকে। পরে আরও দু’জনে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন দুই পড়ুয়া দীপশেখর দত্ত এবং মনোতোষ ঘোষ। তাঁদের জেরা করে বুধবার আরও ছ’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তনী মিলিয়ে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এখনও অবধি। আজ কলেজ হস্টেলে গিয়ে ঘটনার পুনর্নিমাণ করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। ধৃতদের নিয়ে আলাদা আলাদা করে ঘটনার পুনর্নিমাণ করা হয়েছে বলে খবর। ধৃতদের বয়ানেও অনেক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
সূত্রের খবর, যাদবপুরে (Jadavpur University student death) ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকেও আচস কাচের নীচে রাখা হয়েছে। অ্যান্টি-র্যাগিং কমিটি তৈরি হলেও তা কেন এতদিন নিষ্ক্রিয় ছিল, কলেজ ক্যাম্পাসে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই কেন, প্রাক্তন ছাত্ররা কীভাবে রেজিস্ট্রারের নজর এড়িয়ে কলেজ হস্টেলেই থাকছেন, বহিরাগতরা কীভাবে কলেজ ক্যাম্পাসে (Jadavpur University student death) যখন তখন ঢুকে পড়ছেন, ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বুধবার রাতে যাদবপুরের (Jadavpur University student death) মেন হস্টেলের তিনতলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়ার। অভিযোগ ওঠে র্যাগিংয়ের। স্বাভাবিক ভাবেই এর পর আঙুল ওঠে কর্তৃপক্ষের দিকে। প্রশ্ন ওঠে, তাঁদের নজর এড়িয়ে এবং নিয়মের পরোয়া না করে কী ভাবে দিনের পর দিন আইন ভেঙে হস্টেলে পড়ে থাকতেন এই প্রাক্তনীরা? এই মৃত্যু রহস্যের তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। সেইসঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, শিশু সুরক্ষা কমিশনও নিজেদের মতো করে ঘটনা খতিয়ে দেখছে। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুসন্ধান কমিটিও তৈরি হয়েছে।