দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবহাওয়া দপ্তর থেকে দিয়েছিল অরেঞ্জ ওয়ার্নিং। তার মানে প্রাকৃতিক দুর্যোগে জীবনহানি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা। সতর্কবার্তা সত্যি হল রবিবার। সেদিন দুপুর ও বিকালে ঝড়বৃষ্টিতে সারা দেশে নিহত অন্তত ৬০ জন।
উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি ও তার আশপাশেই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
তার মধ্যে উত্তরপ্রদেশের নিহত হয়েছে ৫১ জন। লখিমপুর খেরি জেলায় ৮৪টি বাড়ি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে অথবা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্ভাল জেলায় ভেঙে পড়েছে ৩১টি বাড়ি। বেরিলিতে আট জন, কাশগঞ্জে ছ 'জন ও বরাবাঁকিতে পাঁচজন গাছ পড়ে অথবা দেওয়াল ভেঙে নিহত হয়েছেন। গৌতমবুদ্ধ নগরে হোর্ডিং ভেঙে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন একজন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য জেলা প্রশাসনগুলিকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম ও কাডাপ্পা জেলায় বজ্রপাতে মারা গিয়েছেন ন 'জন। দিল্লিতে ঝড়ের গতি উঠেছিল ঘন্টায় ১০৯ কিলোমিটার পর্যন্ত। তাতে দু 'জন নিহত হয়েছেন। আহত ১৮ জন।
পশ্চিমবঙ্গে ঝড়বৃষ্টিতে নিহত হয়েছেন ১২ জন। আহতের সংখ্যা ১৫। হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়াতে মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। তাদের মধ্যে চারজন শিশু। পশ্চিম মেদিনীপুর, নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় দু 'জন করে মারা গিয়েছেন। মুর্শিদাবাদে মারা গিয়েছেন ১ জন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, প্রকৃতির ওপরে তো কারও হাত নেই। যারা মারা গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনতে পারব না। কিন্তু মৃতদের পরিবারের পাশে আমরা আছি। তাঁদের সবরকম সাহায্য করব।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃতদের জন্য শোক জানিয়েছেন।