গত বছরের ডিসেম্বরে ওড়়িশা থেকে বাংলার জঙ্গলমহলে হানা দিয়েছিল বাঘিনি জিনাত। টানা ১০ দিন ধরে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার জঙ্গল লাগায়ো একাংশ এলাকায় দাপিয়ে বেড়িয়েছিল সে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 21 May 2025 17:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছরের ডিসেম্বরে ওড়়িশা থেকে বাংলার জঙ্গলমহলে হানা দিয়েছিল বাঘিনি জিনাত। টানা ১০ দিন ধরে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার জঙ্গল লাগায়ো একাংশ এলাকায় দাপিয়ে বেড়িয়েছিল সে। খাবারের খোঁজেই বাঘিনির আগমন কিনা, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চাও হয়।
বাঘিনি জিনাত একা নয়, ফি-বছরই দলমার হস্তীকূল খাবারের খোঁজে হানা দেয় জঙ্গলমহলের লোকালয়ে। তথৈবচ হাল উত্তরবঙ্গেও। সেখানেও হামেশাই খাবারের খোঁজে লোকালয়ে হানা দেয় বন্য জন্তুরা। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। বন্য জন্তুদের এই লোকালয়ে হানা ঠেকাতে এবার বড় উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য (Environment for Wild Animals)।
বুধবার উত্তরকন্যার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে সেই উদ্যোগের কথা জানালেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, খাবারের খোঁজে অনেক সময় বন্য জন্তুরা জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে প্রবেশ করে। তাদের আক্রমণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। তাই জঙ্গলে বন্য জন্তুর উপযোগী খাদ্য তৈরির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, জলদাপাড়া, গরুমারা ,মহানন্দা, বক্সা-সহ অরণ্য এলাকা খাবারের অভাব দূর করার জন্য় ৫৬২ একর এলাকায় পশু খাদ্যের উপযোগী ঘাসের চাষ করা হবে। বর্ষার আগেই এই প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বৈঠকে উপস্থিত বনকতার্দের নির্দেশও দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, "বন্যেরা বনে সুন্দর। তাই বনের মধ্যেও ওদের খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে খাবারের টান তৈরি না হয়।"
বন দফতর সূত্রের খবর, শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, একইভাবে দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলেও বন্য জন্তুর উপযোগী খাদ্যের পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।