দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাইলে রাজ্যগুলি (states) স্কুলে (school) ভগবত গীতা (bhagwat gita) পড়ানোর অনুমতি দিতে পারে। লোকসভায় জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী (centre)। নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার গৈরিকীকরণের (saffronisation) অভিযোগের মধ্যেই সংসদের নিম্নকক্ষে একথা বললেন মন্ত্রী। বিজেপির উত্তর মুম্বইয়ের সাংসদ গোপাল শেট্টি জানতে চেয়েছিলেন, কেন্দ্র সারা দেশে স্কুল পড়ুয়াদের গীতাপাঠের ব্যবস্থা করার কথা ভাবছে কিনা। প্রশ্নোত্তর পর্বে এর উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিষয়টি রাজ্যগুলির হাতে ছেড়ে দেন। সেসময় সভায় কংগ্রেস সাংসদরা লখিমপুর খেরির হিংসা নিয়ে সরব হয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রকে বরখাস্তের দাবি জানাচ্ছিলেন। লখিমপুর খেরি হিংসা মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত তাঁর ছেলে আশিস মিশ্র ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন। শেট্টি কটাক্ষ করেন, কংগ্রেস এমপিরাও ভগবত গীতা পড়তে পারেন, তাতে ভাল কাজ করার ইচ্ছে হবে!
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, শিক্ষা সংবিধানে যৌথ তালিকার বিষয়। তাই রাজ্যগুলি চাইলে পাঠ্যক্রমে গীতা রাখতেই পারে। সিবিএসই প্যাটার্নে নানা ক্লাসে এখনই গীতা পড়ানো হয়। রাজ্যগুলি চাইলেও গীতাকে যোগ করতে পারে। গীতার কিছু অংশ ইতিমধ্যে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের পড়তে হয়।
লোকসভায় লিখিত প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও জানান, ইউজিসি-নেট পরীক্ষায় যোগার সিলেবাসেও গীতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নয়া শিক্ষা নীতিতে আঞ্চলিক ভাষায় শিশুদের পড়াশোনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানান অন্নপূর্ণা। বলেন, রাজ্যগুলি চাইলে স্কুলে ভোজপুরী ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থাও করতে পারে। ঝাড়খন্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশের লোকজন অনেকদিন ধরেই ভোজপুরী ভাষার স্বীকৃতি চাইছেন বলে দাবি করেন শাসক শিবিরের জনৈক সাংসদ।