Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

'অসাংবিধানিক' খরচ করতে করতে দেউলিয়া হয়ে যাবে রাজ্য সরকার: বিকাশ

১৬ মে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশের পর থেকেই  জুন মাস শেষ হওয়ার অপেক্ষায় প্রায় ১০ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশন প্রাপক। কারণ, নবান্নকে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ-এর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে  ৩০ জুনের মধ্যে।

'অসাংবিধানিক' খরচ করতে করতে দেউলিয়া হয়ে যাবে রাজ্য সরকার: বিকাশ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: 21 June 2025 21:26

দিশা দাস

"রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ আদৌ মেটাতে পারবে কি পারবে না সেটা বলা সম্ভব নয়, তবে সরকারি কর্মচারীদের কাছে এই ডিএ ন্যায্য ও আইনগত অধিকার, প্রাপ্যও। এই প্রাপ্যটা মেটাতেই হবে।" শনিবার দ্য ওয়ালকে (The Wall) এ কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya)। তাঁর মতে সরকারি কর্মচারীদের এই প্রাপ্য কোনও দয়ার দান নয়। রাজ্য সরকার জানত যে এই বকেয়া মেটাতে হবে। তারা এটাও জানত, এই ডিএ (West Bengal DA) সংক্রান্ত খাতে টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়। হয়তো রেখেওছে, কিন্তু সেই অর্থ বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় খাতে ঢেলেছে। এবং ডিএ-এর মতো প্রয়োজনীয় খাতকে উপেক্ষা করেছে।

ঘটনা হল, ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশের পর থেকেই  জুন মাস শেষ হওয়ার অপেক্ষায় প্রায় ১০ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশন প্রাপক। কারণ, নবান্নকে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ-এর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে  ৩০ জুনের মধ্যে।

দ্য ওয়ালকে এ ব্যাপারে বিকাশরঞ্জন বলেন, রাজ্য সরকার ভেবেছিল প্রয়োজনীয় খাতকে উপেক্ষা করলে সরকারি কর্মচারীরা চুপ থাকবেন, আর সেই সুযোগে তারা নতুন তত্ত্ব খাড়া করবেন। সেই চেষ্টাও যে করেনি তা নয়। বিভিন্ন তথাকথিত, প্রথিতযশা মানুষদের দিয়ে বাইনারি তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছিল, গরিব মানুষদের টাকা দিচ্ছি, সেখানে সরকারি কর্মচারীদের কেন ডিএ দিতে যাব। যতসব অদ্ভুত তত্ত্ব ধারণা তৈরি করার চেষ্টা হয়েছে। এখনও অবধি এই নিয়ে ছ'-সাতবার আদালত, ট্রাইব্যুনালে রিভিউ করা হয়েছে। তারপর সুপ্রিম কোর্টে গেছে। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই সর্বোচ্চ আদালত বলেছে ২৫ শতাংশ ডিএ দিতেই হবে। এখন সরকার সেই ডিএ দেবে কিনা সেটা তাদের ব্যাপার। না দিলে আইনগত ব্যাপার যা হওয়ার তাই হবে।

বস্তুত, রাজকোষের ঘাটতি মেটাতে তিন ধাপে ঋণ নিতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal Loan)। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) শুক্রবার জানিয়েছে, আরও ৩,৫০০ কোটি টাকা ধার নিতে আগামী ২৪ জুন এসজিবি নিলামে অংশ নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ (Mamata Banerjee)।  

এই ঋণের মধ্যে ২,০০০ কোটি টাকা ২৫ বছরের মেয়াদি এবং বাকি ১,৫০০ কোটি টাকা ২৬ বছরের মেয়াদি ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলির খরচ মেটাতে এই ঋণ ব্যবহৃত হতে পারে বলে নর্থ ব্লকের কেউ কেউ অনুমান করছেন। তবে রাজ্যের সরকারি কর্মচারি মহলের অনেকের ধারণা, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বকেয়া ডিএ-র (Pending DA) ২৫ শতাংশ মেটাতেই এক মাসে তিন বার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ঋণ নিতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।

আদৌ কি তাই? বিকাশবাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "রাজ্য সরকার পশ্চিমবঙ্গের বুকে রাজস্ব উপায়ের যে সমস্ত উৎস থাকে সেই সমস্ত পথ বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের একমাত্র রাজস্ব উপায়ের পথ হচ্ছে মদ বিক্রি। আমি একটা রাজ্যে যদি কোনও উৎপাদনমুখী কর্মসূচি না করি, তাহলে রেভিনিউ আসবে না। আমরা আমাদের জমিগুলো বিক্রি করে দিচ্ছি রিয়েলএস্টেট প্রপার্টির মালিকদের কাছে। সেখান থেকে খানিকটা টাকা নিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছি। তাতেও আবার কাটমানির খেলা আছে তৃণমূলীদের।"

বিকাশরঞ্জনের পর্যবেক্ষণ, রাজ্য সরকারের সাংবিধানিক যে দায়িত্ব পালন করার কথা, তার জন্যে যতটা খরচ করার কথা তার বাইরে অপ্রয়োজনীয়, সংবিধানবিরোধী খাতে ব্যয় করেন। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত প্রচার ও দলীয় প্রচার ও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য।


```