Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল

খাবারের খোঁজে ১৫০০ কিমি পথ পেরিয়ে ক্লান্ত মেরু ভল্লুকের চোখে জল!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেঁচে থাকার লড়াই।  সকলেই তো সেই লড়াইয়েই দিন কাটাচ্ছি।  তবে এবার এই বেঁচে থাকার লড়াইতে সামিল এক মেরু ভল্লুকও।  সুমেরু মহাসাগর থেকে ১৫০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে রাশিয়ার উত্তরে সাইবেরিয়ার একটি শহরে তাকে খাবারের জন্যে হন্যে হয়ে

খাবারের খোঁজে ১৫০০ কিমি পথ পেরিয়ে ক্লান্ত মেরু ভল্লুকের চোখে জল!

শেষ আপডেট: 20 June 2019 14:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেঁচে থাকার লড়াই।  সকলেই তো সেই লড়াইয়েই দিন কাটাচ্ছি।  তবে এবার এই বেঁচে থাকার লড়াইতে সামিল এক মেরু ভল্লুকও।  সুমেরু মহাসাগর থেকে ১৫০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে রাশিয়ার উত্তরে সাইবেরিয়ার একটি শহরে তাকে খাবারের জন্যে হন্যে হয়ে ঘুরতে দেখা গেল।  কখনও জঞ্জালের স্তূপে কখনও বা শিল্প শহরটির ইতিউতি ঘুরল সে।  সুমেরু বিন্দুর উপর দিকে থাকা, পৃথিবীর মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি শহর নরিলিস্ক।  উত্তর মেরুর শেষ সীমানার এই শহরের সঙ্গে পৃথিবীর অন্য কোনো শহরের স্থল-সংযোগ নেই।  রাশিয়ার সাইবেরিয়ার অন্তর্গত এই শহরটি সুমেরু বৃত্ত থেকে ৪০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।  শহরটিতে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষের বাস।  নরিলিস্কের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা মঙ্গলবার শহরবাসীকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন শহরে একটি মেরু ভল্লুক ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাঁরা যাতে সাবধানে থাকেন।  গত চার দশকেরও বেশি সময়ে সেই অঞ্চলে কখনও মেরু ভল্লুকদের দেখা পাওয়া য়ায়নি।  একটি সংবাদ মাধ্যমে এই তথ্যই উঠে এসেছে। যে ছবি উঠে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে রবিবার শহরের বাইরে থেকে ধুঁকতে ধুঁকতে ক্লান্ত, ক্ষুধার্ত একটা মেরু ভল্লুক জনবসতিতে এসে পড়েছে।  সে কাদা মাখা, জীর্ণ শরীরেরই খাবার খুঁজে চলেছে সব জায়গায়।  কখনও আবার ভীষণ ক্লান্ত হয়ে সে মাঝ রাস্তায় শুয়েও পড়ছে।  এ ক্ষেত্রে কিছু বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের সাথে কথাও বলেছেন সেই শহরের কর্মকর্তারা।  সেখানকারই স্থানীয় শিকার বিভাগের প্রধানদের একজন, আনাতলি নিকোলাইচুক বুধবার সেই ভল্লুকটিকে দেখে বলছেন, সম্ভব হলে আকাশপথে তাকে তুলে তার বাসস্থান অর্থাৎ সুমেরুতে ছেড়ে দিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে হবে। ওলেগ ক্রাশেভস্কি ওয়াইল্ডলাইফ এক্সপার্ট।  তিনি রয়টার্সকে বলছেন, ভল্লুকটির চোখে জল দেখা যাচ্ছে।  যা দেখে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ লাগছে তাঁর।  তিনি বলছেন এই মেয়ে ভল্লুকটিকে দেখে একেবারেই বোঝা যাচ্ছে না, সে খাবার খুঁজতেই শহরাঞ্চলে এসে পড়েছে, না পথ হারিয়ে এসে পড়েছে! আপাতত তাকে তার পুরনো বাসস্থানে ফেরানো যাবে কি না, তা নিয়েও সন্দিহান ক্রাশেভস্কি। যাঁরা কিছুদিন আগেই সেখানে গিয়েছিলেন বেড়াতে, তাঁদেরই কেউ কেউ অবশ্য মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বছরের শুরুতেই কয়েক ডজন এই শ্বেত ভাল্লুকের দেখা তাঁরা পেয়েছেন।  আর সেই ডজন খানেক শ্বেত ভল্লুক সেবার সুমেরু মহাসাগরে একটি রাশিয়ান দ্বীপপুঞ্জে হামলাও করেছিল। স্থানীয় রিপোর্ট বলছে শেষ ফেব্রুয়ারিতেই প্রায় ৫০ টা মেরু ভল্লুককে শহরের নোভা জেমলা দ্বীপপুঞ্জের কাছে দেখা গেছিল।  সেখানে স্থানীয়রা বেশ ভয়েই ছিলেন।  তাদের বাচ্চাদের বাড়ির বাইরে খেলতেও পাঠাচ্ছিলেন না তাঁরা তখন।  সে সময় সেখানে জরুরি অবস্থাও ঘোষণা করা হয়েছিল।  এমনকি মানুষজন তাঁদের অফিসে পৌঁছতেও স্পেশাল যানবাহনের ব্যবস্থা করেছিলেন। দিন দিন বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্যই এই শ্বেত ভল্লুকরা তাদের বাসস্থান হারাচ্ছে, খাবার পাচ্ছে না।  কারণ মেরু প্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে প্রায় সবই।  প্রকৃতি সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা জানাচ্ছে বিশ্বব্যাপী আপাতত ২২ হাজার থেকে ৩১ হাজার মেরু ভল্লুক রয়েছে।  মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে বলছে যে হারে বরফ গলে যাচ্ছে মেরু প্রদেশে, ওরা সঙ্কটে পড়ছে, ২০৫০ এ হয় তো এই মেরু ভল্লুক আর থাকবে না বিশ্বে। আমরা এখনও যদি না বুঝি, তাহলে এসি, ফ্রিজ, যানবাহনের দাপট বাড়বে।  আর গাছ কেটে কেটে লম্বা লম্বা প্রাসাদের মতো থাকার জায়গা তৈরি করব।  এক এক করে প্রকৃতির সাথে যুদ্ধে হেরে গিয়ে ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাব সকলেই।

```