Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

Abhijit Gangopadhyay: অভিজিতের যেমন ইচ্ছা সাজো! সংসদে দাঁড়িয়ে বললেন ৩৫৬ ধারা কদর্য প্রথা

আরজি কর কাণ্ডের পরও বাংলায় অবিলম্বে ৩৫৬ ধরারা প্রয়োগের দাবি তুলেছিলেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই তিনিই সংসদে সংবিধান নিয়ে বিতর্কে পুরোদস্তুর ডিগবাজি খেলেন।

Abhijit Gangopadhyay: অভিজিতের যেমন ইচ্ছা সাজো! সংসদে দাঁড়িয়ে বললেন ৩৫৬ ধারা কদর্য প্রথা

তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 14 December 2024 19:44

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলেছিলেন, বাংলায় অবিলম্বে ৩৫৬ ধরারা প্রয়োগ করা উচিত। আরজি কর কাণ্ডের পরও সেই দাবি তুলেছিলেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই তিনিই সংসদে সংবিধান নিয়ে বিতর্কে পুরোদস্তুর ডিগবাজি খেলেন। বললেন, ৩৫৬ ধারা একটা কদর্য প্রথা। 

ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় সংবিধানের ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ নিয়ে অতীতে বারবার সমালোচনা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী জমানার গোড়ার দিকে অরুণাচলে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করতে গিয়ে মুখ পুড়েছে বিজেপির। মোদী সরকার অরুণাচলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলেও তা খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেও বাংলায় বিজেপির বহু নেতা বহু বার সংবিধানের ৩৫৫ ধারা বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের দাবি তুলেছেন। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও (Abhijit Gangopadhyay) তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। 

অথচ সংবিধান নিয়ে বিতর্কে অংশ নিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে কথা বলেছেন, তা দেখে অনেকের মনে হতে পারে তিনি পুরনো অবস্থান থেকে ডিগবাজি খাচ্ছেন। 

অভিজিৎ (Abhijit Gangopadhyay) এদিন লোকসভায় শুদ্ধ বাংলায় বলেন, “৩৫৬ ধারা একটা কদর্য প্রথা। এই ৩৫৬ ধারায় একটা রাজ্য সরকারকে ফেলে দেওয়া যায় সাংবিধানিক ব্যবস্থা প্রয়োগ করে। আগে তো যেতই এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি এসআর বোম্মাইয়ের রায়ের পর একটু কম যায়।” তিনি এও বলেন, “প্রথম যে চারটি রাজ্যে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ হয়েছিল তার মধ্যে তিনটে করেছিল কংগ্রেস। ৫০টি করেছিলেন শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী। ১২টা করেছিলেন মনমোহন সিং, ১১টা করেছিলেন নরসিংহ রাও।” তাঁর কথায়, যাঁরা সংবিধান নিয়ে লাফালাফি করেন তাঁরাই যুক্তরাষ্ট্রীয় চরিত্রকে ধ্বংস করেছেন। 

অভিজিতের এ কথার পরই প্রশ্ন উঠেছে যে বাংলায় কেন ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের দাবি তুলেছিলেন তিনি? তখন তাঁর এই শুভবুদ্ধি কোথায় ছিল? পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, বিজেপির আর পাঁচটা নেতা এই দাবি তোলা একরকম। কিন্তু অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বিচারপতি ছিলেন। সংবিধান ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে তাঁর অনেকের চেয়ে বেশি ধারণা স্বাভাবিক। সুতরাং বাংলায় একটা নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিয়ে ৩৫৬ ধারা জারি করার যে দাবি তিনি তুলেছিলেন, তা হয়তো স্রেফ রাজনীতির জন্যই বলেছিলেন তিনি। কারণ, এদিন তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় সাংবিধানিক ধারা প্রয়োগ করে নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দেওয়া কদর্য প্রথা।


```