দুর্নীতির অভিযোগে এসএসসির ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল হওয়ায় ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি গেছে। এঁদের মধ্যে ‘চিহ্নিত অযোগ্য’ রয়েছেন প্রায় হাজার আটেক শিক্ষক। চাকরি বাতিলের পাশাপাশি তাঁদের বেতনও ফেরত দিতে বলা হয়েছে।
এই জায়গা থেকেই পর্ষদ আর্জি করে যে, 'চিহ্নিত অযোগ্য' ছাড়া বাকিদের চাকরি যাতে বহাল রাখা যায়। তাঁদের যুক্তি, এমনটা না হলে অনেক স্কুলে পড়ানোর মতো শিক্ষক থাকবেন না। এই আর্জির প্রেক্ষিতে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত, অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিতরা বাদ দিয়ে বাকিরা চাকরি করবেন পরবর্তী নিয়োগের আগে পর্যন্ত। সেই তারিখটা ৩১ ডিসেম্বর বলেই জানিয়ে দিয়েছে আদালত।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর চাকরিহারারা কার্যত পথে নেমে আন্দোলন শুরু করেন। 'যোগ্য'রা বলেন, তাঁরা আদতে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন কিছু না করেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চাকরিহারাদের পাশে থাকবে রাজ্য সরকার। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে যা করার তা করা হবে। এদিকে চাকরি ফেরানোর দাবিতে বুধবার থেকে চাকরিহারাদের একাংশ দিল্লিতে গিয়ে ধর্নাও শুরু করেছে। এই অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আপাত স্বস্তি মিলল।


