
শেষ আপডেট: 16 January 2024 11:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাগের বশে খুন, তারপর টুকরো টুকরো করা হল দেহ। মনে পড়ে যেতে পারে দিল্লির সেই শ্রদ্ধা ওয়াকার খুনের ঘটনার কথা। কিন্তু না, এই ঘটনা ঘটেছে খোদ বাংলায়। স্ত্রীকে খুন করে তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভরে দিল স্বামী। জানা গেছে, এই কাণ্ড ঘটানোর পর সে নিজেও আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। ভয়ঙ্কর এই ঘটনা ঘটেছে মধ্যমগ্রামে।
পুলিশ জানিয়েছে, মধ্যমগ্রামের উত্তর জোজরা গ্রামের বাসিন্দা নুরউদ্দিন মণ্ডল নিজের স্ত্রীকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে প্রথমে দুটি ব্যাগে ভরে এবং তারপর নোয়াই খালে ভাসিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, খুনের পর সে নিজেও আত্মহত্যা করারও চেষ্টা করে। নুর নিজেই এই কথা জানিয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। বর্তমানে সে বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর স্ত্রীর অর্ধেক দেহাংশ উদ্ধার করা গেলেও বাকি দেহাংশ এই মুহূর্তে নোয়াই খালে খুঁজছে পুলিশ।
অনুমান করা হচ্ছে, শেষ কিছুদিন ধরেই পারিবারিক অশান্তির সীমা ছাড়িয়েছিল নুর এবং তাঁর স্ত্রী সায়রার মধ্যে। তার জেরেই এই নৃশংস ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও নুরের কোনও মানসিক সমস্যা আছে কিনা তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, দিল্লির শ্রদ্ধাকাণ্ড ছাড়াও এই বঙ্গে এমন ঘটনার কথা এর আগেও সামনে এসেছিল। ২০২৩ সালেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে স্ত্রীকে খুন করে দেহ একাধিক টুকরো করার ঘটনা ঘটেছিল।
দিল্লিতে লিভ-ইন সঙ্গী আফতাবের হাতে খুন হতে হয়েছিল শ্রদ্ধা ওয়াকারকে। তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করার ঘটনার শিহরিত হয়েছিল দেশ। জানা গেছিল, ২০১৮ সাল থেকেই আফতাবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল শ্রদ্ধার। বন্ধুদের সে জানিয়েছিল, প্রেমিকের সঙ্গে সুখেই রয়েছে সে। কিন্তু আচমকাই সব বদলে যায়। পরিবারের সঙ্গেও খুব একটা যোগাযোগ করতে পারেনি শ্রদ্ধা। শেষমেষ তাঁর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।