সামনের বছর ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ স্পিতি! কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি, তবু সিদ্ধান্তে কঠোর স্থানীয়রাই
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হিমাচলপ্রদেশের অপরূপ স্পিতি উপত্যকার দরজা। তার আগে কোনও পর্যটককে ঢুকতে দেওয়া হবে না সেখানে। স্পিতির স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর জানিয়েছেন, আরও পাঁচ
শেষ আপডেট: 19 November 2020 07:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হিমাচলপ্রদেশের অপরূপ স্পিতি উপত্যকার দরজা। তার আগে কোনও পর্যটককে ঢুকতে দেওয়া হবে না সেখানে। স্পিতির স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর জানিয়েছেন, আরও পাঁচ মাস বাইরের কোনও পর্যটকদের ঢুকতে দেওয়া হবে না স্পিতিতে। কারণ সামনেই জাঁকিয়ে শীত পড়বে সেখানে। বাড়তে পারে করোনা সংক্রমণ। তাই আগে থেকে সতর্কতা নিতেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি স্পিতি ট্যুরিজম সোসাইটি থেকে জানানো হয়েছে আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত সমস্ত পর্যটকদের জন্য বন্ধ থাকবে স্পিতি। কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হবে জেনেও করোনা সংক্রমণ রুখতেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে। ২০২১ সালে এপ্রিল থেকে খুলে দিতে পারে স্পিতির দরজা। এমনটাও জানা যাচ্ছে।
স্পিতির প্রতিটা মানুষ এবং পর্যটকরা যাতে সুস্থ থাকেন এই লক্ষ্যেই সেখানকার বিভিন্ন হোটেল, হোম স্টের মালিক, গাইড, ট্যুরিজম ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে জড়িত অনেক মিলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ সংক্রমণ এমন পরিস্থিতিতে স্পিতির সবদিকের কথা মাথায় রেখেই তাঁরা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে জানা গেছে স্পিতিতে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। কোভিড পজিটিভের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এই মুহূর্তে এইখানে কারওই আসা উচিত নয়। এর আগে নভেম্বরে স্পিতিতে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণেই পিছিয়ে সেটা এপ্রিল মাস পর্যন্ত করা হয়েছে।
স্পিতি ট্যুরিজম সোসাইটি থেকে জানানো হয়েছে কোভিডের সংখ্যা বাড়ায় ভ্যালির উঁচুতে যাঁরা থাকেন, তাঁরা ভয়ে, আতঙ্কেই দিন কাটাচ্ছেন। প্রচন্ড শীত পড়ার পর সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মানার পরও ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানো মুশকিল হতে পারে।

যেহেতু এখানে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই, অল্প কয়েকজন ডাক্তার রয়েছেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণ, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, গঠন এসবের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না। এমন ভয়টাই তারা পাচ্ছে। সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে।