
শেষ আপডেট: 8 February 2023 05:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন (budget session) শুরু হচ্ছে বুধবার থেকে। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী বাজেট অধিবেশন শুরু হয় রাজ্যপালের (Governor) বক্তৃতা দিয়ে। সেই বক্তৃতা রাজ্যপাল নিজে লেখেন না। সরকার লিখে দেয়। রাজ্য মন্ত্রিসভায় সেই বক্তৃতার (speech) বয়ান অনুমোদিত হয়। তার পর সেটাই বিধানসভার অধিবেশনে পড়েন রাজ্যপাল।
কিন্তু গত দু’বছর বাজেট অধিবেশনে দেখা গিয়েছে বক্তৃতার বয়ান নিয়ে টানাপোড়েন চলেছে নবান্ন ও রাজভবনে। নবান্ন যা লিখে দেবে, রাজ্যাপাল তা হুবহু পড়বেন না। তাঁর মনের মতো শব্দ ঢোকাবেন বা বাদ দেবেন। এই নিয়ে কথা কাটাকাটি ও বিবাদ। তা ছাড়া ধনকড় আবার এতটাই স্বচ্ছ ছিলেন যে নবান্নের সঙ্গে তাঁর কী মতান্তর হচ্ছে তা টুইট করে জানিয়ে দিতেন। কোনও রাখঢাক রাখতেন না।
এহেন পরিস্থিতি বাজেট অধিবেশনে ধনকড়কেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ ছিল প্রশাসন। বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপাল যে বক্তৃতা পাঠ করেন তাতে মূলত সরকারের সাফল্যের কথা থাকে। সরকার তা মানুষকে জানাতে চায়। এই যেমন, কদিন আগে সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। তার আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু যৌথ অধিবেশনে সরকারের লিখে দেওয়া বক্তৃতা পাঠ করেছেন। তার ছত্রে ছত্রে লেখা ছিল মোদী সরকার কত ভাল করছে। আর তা সরাসরি বৈদ্যুতিন মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে।
কিন্তু ধনকড় নবান্নের বক্তৃতা পাঠে অনীহা দেখানোয় তাঁর বক্তৃতা সরাসরি সম্প্রচারে অনুমতি দিতেন না স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বর্তমান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তেমন কোনও সংঘাতে এখনও যাননি। বরং সাংবিধানিক এক্তিয়ারের মধ্যে নবান্নের সঙ্গে বন্ধু সম্পর্কেরই বারবার বার্তা দিয়েছেন। এই অবস্থায় বুধবার বাজেট অধিবেশনে তাঁর বক্তৃতা সরাসরি সম্প্রচারের অনুমতি দিয়েছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকার যা লিখে দিয়েছেন, সম্ভবত সেটাই পাঠ করবেন সিভি আনন্দ বোস।
তবে এহেন পরিস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তথা বিজেপি ব্রিগেড অধিবেশন কক্ষে কী অবস্থান নেয় এখন সেটাই দেখার।
আদানি কাণ্ডে স্টেট ব্যাঙ্কের সামনে বিক্ষোভ তৃণমূল সাংসদদের, ‘লুঠ বন্ধ করো’