Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

'ইন্ডিয়া'র অনাস্থা প্রস্তাবে আলোচনায় সায় স্পিকারের, বিরোধী ও সরকার পক্ষের কৌশল কী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব (no confidence motion) আলোচনার জন্য গৃহীত হলো লোকসভায়। কংগ্রেস সাংসদ কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ আজ ২৬টি বিরোধী দলের জোট "ইন্ডিয়া'র (India) তরফে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন।

'ইন্ডিয়া'র অনাস্থা প্রস্তাবে আলোচনায় সায় স্পিকারের, বিরোধী ও সরকার পক্ষের কৌশল কী

শেষ আপডেট: 26 July 2023 08:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব (no confidence motion) আলোচনার জন্য গৃহীত হলো লোকসভায়। কংগ্রেস সাংসদ কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ আজ ২৬টি বিরোধী দলের জোট "ইন্ডিয়া'র (India) তরফে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন। স্পিকার (Speaker) সেটি নিয়ে আলোচনার অনুমোদন দেন। স্পিকার জানিয়েছেন তিনি আলোচনার তারিখ পরে জানিয়ে দেবেন।

সংসদ সূত্রে খবর তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি আলাদা করে একটি অনাস্থা প্রস্তাব (no confidence motion) জমা দিয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, নিয়ম হল ৫০ জন সাংসদ মিলে প্রস্তাব জমা করলে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। ১০ দিনের মধ্যে স্পিকারকে জানাতে হবে আলোচনার তারিখ।

রাজনৈতিক মহলের মতে যে কারণে বিরোধীরা অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে ঠিক একই কৌশল মাথায় রেখে সরকারও তাতে আলোচনায় সাড়া দিচ্ছে। বিরোধীরা চেয়েছিল সরকার যাতে মনিপুর প্রসঙ্গ এড়িয়ে একতরফা ভাবে ৩১টি বিল পাস করিয়ে নিতে না পারে। অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনা হলে সংসদের নেতা তথা সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর জবাব দেওয়াটা সংসদীয় রীতি। ফলে নরেন্দ্র মোদি মণিপুর নিয়ে নীরব থাকলেও অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনার উপর জবাবে ভাষণে তাঁকে উত্তর পূর্বের ওই রাজ্যটির বিষয়ে বলতে হতে পারে। যদিও একথাও ঠিক প্রধানমন্ত্রী চাইলে জবাবী ভাষণেও মণিপুর প্রসঙ্গ এড়িয়ে যেতে পারেন। যেমন লোকসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতির দেওয়া ভাষণের উপর বিতরকের জবাবে বক্তৃতায় মোদী আদানি ইস্যু এড়িয়ে গিয়েছিলেন। যদিও বিরোধীরা সরকারকে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ শনিয়েছিল ওই ইস্যুতেই।

প্রশ্ন হল সরকার পক্ষের কৌশলটা কী? আসলে সরকার পক্ষ এই সুযোগে অবিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির নারী নির্যাতন, অনুন্নয়ন , অপশাসন নিয়ে সরব হবে। নভেম্বরে রয়েছে চার রাজ্য রাজস্থান ছত্তিসশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানায় বিধানসভার নির্বাচন। এর মধ্যে শুধু মধ্যপ্রদেশে বিজেপি ক্ষমতায় আছে। বাকি তিন রাজ্যে ক্ষমতায় বিরোধীরা।

রাজস্থানে নারী নির্যাতন নিয়ে সেই রাজ্যের একজন মন্ত্রী স্বয়ং বিধানসভায় সরব হয়েছেন। এই অপরাধে তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই মন্ত্রী আবার একটি লাল ডায়েরি তুলে ধরে দাবি করছেন অশোক গেহলট সরকারের দুর্নীতির যাবতীয় তথ্য আছে ডায়েরির পাতায় পাতায়। ছত্তিশগড়েও আদিবাসী রমনির উপর অত্যাচারের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। একই পরিস্থিতি তেলেঙ্গানায়।

অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের পরিস্থিতি নিয়েও বিতর্কের ঝড় তুলতে চায় বিজেপি।

আরও পড়ুন: ‘ইন্ডিয়া নামটা ওনার পছন্দ হয়েছে!’ মোদীকে পাল্টা বিদ্রুপ মমতার


```