Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকের

প্রয়াত সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রয়াত হলেন (Dies) সোভিয়েত (Soviet Union) ইউনিয়নের শেষ প্রেসিডেন্ট (President) মিখাইল গর্বাচেভ (Mikhail Gorbachev)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। এই খবর জানিয়েছে মস্কো। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডে

প্রয়াত সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ

শেষ আপডেট: 31 August 2022 05:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রয়াত হলেন (Dies) সোভিয়েত (Soviet Union) ইউনিয়নের শেষ প্রেসিডেন্ট (President) মিখাইল গর্বাচেভ (Mikhail Gorbachev)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। এই খবর জানিয়েছে মস্কো। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বুধবার সেন্ট্রাল ক্লিনিক্যাল হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে গর্বাচেভের। বয়সজনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন তিনি। কিডনির সমস্যাও ছিল তাঁর। শান্তিতে নোবেলজয়ী সোভিয়েত নেতার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ। 'একজন শক্তিশালী নেতা ছিলেন। শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অক্লান্তভাবে কাজ করে গিয়েছেন তিনি,' শোকবার্তায় জানিয়েছেন গুতেরেজ।

১৯৮৪ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক হন মিখাইল গর্বাচেভ। তারপর ১৯৮৫ থেকে১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্ত তিনি ক্ষমতায় থাকার সময়েই পূর্ব ও মধ্য ইউরোপে কমিউনিজমের পতন ঘটে। আবার সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং তৎপরবর্তী বিশৃঙ্খলার জন্য নাগরিকদের কাছে ইতিহাসের কলঙ্কিত নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। আবার তাঁর শাসনকালেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের অজস্র নাগরিকের কাছে তিনিই ছিলেন স্বাধীনতা এনে দেওয়ার নায়ক। একই জীবনে নায়ক, খলনায়ক, দুই হিসেবেই পরিচিতি পেয়েছেন এই নেতা।

বার্লিন প্রাচীরের পতনে শক্তি প্রয়োগ না করাকে তাঁর অন্যতম যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হয়। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ আটকাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। ১৯৯০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয় তাঁকে।

মথুরা স্টেশনে চুরি হওয়া শিশু কিনেছিলেন বিজেপি নেত্রী, বহিষ্কার করল দল


```