
স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডল।
শেষ আপডেট: 6 November 2024 14:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূলের হয়ে বিধানসভা উপ নির্বাচনে নির্লজ্জ প্রচারের অভিযোগে বাংলার তিন ফুটবল প্রধানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আইএফএর পশ্চিমবঙ্গ শাখা নিয়ে তৈরি হওয়া এই বিতর্কের মধ্যেই এবার রাজনীতির সঙ্গে নাম জড়াল বাংলার ক্রিকেটের।
মঙ্গলবার বীরভূমের ডিএসএ গ্রাউন্ডে সিএবির (ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল) আন্তঃজেলা টি-২০ টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায়, সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী। ওই মঞ্চেই বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুূব্রত মণ্ডলকে সংবর্ধনা জানানো হয়। সৌরভের দাদার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন কেষ্ট। যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
গরু পাচার মামলায় প্রায় দু'বছর জেলে থাকার পর দুর্গা পুজোর মুখে জামিন পেয়েছেন অনুব্রত। বীরভূম ক্রীড়া সংস্থার কোনও পদেও নেই কেষ্ট। তা সত্ত্বেও সিএবি-র মঞ্চে তাঁকে কেন সংবর্ধনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। বিষয়টি ঘিরে জনমানসেও নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
তবে ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে সিএবির কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন সিএবি সভাপতি তথা সৌরভের দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বক্তব্য, “এই টুর্নামেন্টের সঙ্গে সরাসরি সিএবি-র কোনও সম্পর্ক নেই। টুর্নামেন্টের আয়োজক বীরভূম জেলা স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন। ফাইনাল অনুষ্ঠানে ওরা আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেখানে কারা আমন্ত্রিত ছিলেন, তার দায় আমার বা সিএবির নয়।"
প্রসঙ্গত, আগামী ১৩ নভেম্বর রাজ্যের ৬টি বিধানসভায় উপ নির্বাচন রয়েছে। ভোট হবে নৈহাটিতেও। সেখানে এবারে তৃণমূলের প্রার্থী সনৎ দে। ভোটের মুখে একটি ভিডিওয় তাঁর প্রশংসা পঞ্চমুখ হতে দেখা গিয়েছে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিংয়ের প্রধান দেবাশিস দত্ত, দেবব্রত সরকার এবং মহম্মদ কামারুদ্দিনকে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তারই মাঝে সামনে এল সিএবির অনুষ্ঠান মঞ্চে বীরভূমের তৃণমূল নেতার উপস্থিতি। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধছে। যদিও এ ব্যাপারে কেষ্ট মণ্ডলের কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।