.jpeg)
সৌগত রায়।
শেষ আপডেট: 3 March 2025 18:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অরূপ বিশ্বাসের পর এবার সৌগত রায়। যাদবপুর কাণ্ডে (Jadavpur University) কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ।
সৌগত রায় বলেন, "ওদের সৌভাগ্য যে ছেলেটা আহত, না হলে কেউ সমবেদনা দেখাতো না।" এরপরই বামেদের ছাত্র সংগঠনের উদ্দেশে সৌগতর হুঁশিয়ারি, "তৃণমূলের ২-৩ হাজার লোক যাদবপুরে ঢুকলে ওরা কোথায় বাঁচবে?"
পাল্টা প্রতিক্রিয়া ধেয়ে এসেছে বাম শিবির থেকেও। এসএফআই নেতা শতরূপ ঘোষ বলেন, "পুলিশকে থানায় বসিয়ে রেখে তৃণমূলের লোকজন যাদবপুর ক্যাম্পাসে পা দিয়ে দেখাক। আমরাও বুঝিয়ে দেব!"
গত শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূলপন্থী (TMC) অধ্যাপকদের সংগঠন ওয়েবকুপার (WBCUPA) বৈঠক ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) সভায় গেলে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরে তিনি বেরনোর সময়ে তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। বনেটে লিখে দেওয়া হয় ‘ব্রাত্য বসু চোর‘!
এই পরিস্থিতিতে ভাঙে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির কাচও। সেই সময়ই আহত হন মন্ত্রী। অন্যদিকে মন্ত্রীর গাড়িতে চাপা পড়েন ইন্দ্রানুজ রায় নামে এক ছাত্র। তারই জেরে কার্যত রণক্ষেত্রর চেহারা নেয় যাদবপুর ক্যাম্পাস। যাদবপুর থানার সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এসএফআইয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। আওয়াজ তোলেন "শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।"
বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ব্রাত্যকে নিগ্রহের করার প্রতিবাদে সন্ধ্যায় সুকান্ত সেতু থেকে পাল্টা মিছিলের ডাক দেয় তৃণমূল। সেই মিছিল থেকে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, "আগুন নিয়ে যেন কেউ না খেলে। শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত হওয়ার দাবি মিথ্যে।" শুধু তাই নয়, বাম ছাত্রদের সাবধান উদ্দেশে তিনি এও বলেন, "গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, মাও-মাকুদের বলতে চাই, অশান্তি কোরো না। আমাদের প্রতিবাদ চলছে, চলবে। যাদবপুরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।"
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে শেষ ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার পর থেকে আর ভোট হয়নি। সেই ভোটের দাবি ঘিরেই শনিবার থেকে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে যাদবপুরে।