Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ক্ষমা চাইলেও সিদ্ধান্তে অনড় গেহলট, নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে সনিয়ার নেতৃত্ব

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেস সভাপতি পদে (Congress President Election) নির্বাচন হলে ফল ঘোষণা হবে হওয়ার কথা ২০ অক্টোবর। ধরে নেওয়া যায় অক্টোবরেই শেষ হয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসাবে সনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) ইনিংস। ১৯৯৮ থেকে ২০২২- এর ২

ক্ষমা চাইলেও সিদ্ধান্তে অনড় গেহলট, নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে সনিয়ার নেতৃত্ব

শেষ আপডেট: 29 September 2022 13:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেস সভাপতি পদে (Congress President Election) নির্বাচন হলে ফল ঘোষণা হবে হওয়ার কথা ২০ অক্টোবর। ধরে নেওয়া যায় অক্টোবরেই শেষ হয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসাবে সনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) ইনিংস। ১৯৯৮ থেকে ২০২২- এর ২৪ বছরের মধ্যে মাত্র দু বছরের জন্য সভাপতি ছিলেন রাহুল গান্ধী। দু'দফায় বাকি ২২ বছর কংগ্রেস সভাপতি পদে রেকর্ড করা সনিয়া গান্ধী দলের শীর্ষ পদ থেকে বিদায় নেওয়ার মুহূর্তে শুধু নিজে অভাবনীয় অনাকাঙ্খিত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, তাই নয়, কংগ্রেসে গান্ধী পরিবারের দাপট, নিয়ন্ত্রণও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অনেকেই মনে করছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর বিদ্রোহ ভবিষ্যতেও কংগ্রেসে গান্ধী পরিবারের দাপটকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। সনিয়ার অবর্তমানে রাহুল, প্রিয়ঙ্কাদের পক্ষে দলের রাশ ধরে রাখা কঠিন হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দিল্লিতে সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেছেন অশোক গেহলট (Ashok Gehlot)। তিনি নিজেই জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভানেত্রীকে তিনি বলেছেন, গত রবিবার জয়পুরে কংগ্রেস বিধায়কদের উশৃঙ্খল আচরণের দায় তাঁর। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি পদে তিনি লড়াই করছেন না। আর রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর থাকা না থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার সনিয়ার উপর ছেড়ে দিয়েছেন।

আপাত দৃষ্টিতে অশোক গেহলট যা বলেছেন তা খুবই প্রত্যাশিত বয়ান। এই ধরনের পরিস্থিতিতে যে কোনও কংগ্রেস নেতাই এই কথা বলতেন।

গত রবিবার গেহলট সমর্থক বিধায়করা পরিষদীয় বৈঠক বয়কট করে বিধানসভার স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা করেন। খাতায়-কলমে মুখ্যমন্ত্রী হলেন পরিষদীয় দলের নেতা। ফলে ঘটনার নৈতিক এবং প্রশাসনিক দায় মুখ্যমন্ত্রীর উপরই বর্তায়, বিশেষ করে বিক্ষুব্ধরা যখন তাঁরই অনুগামী।

কিন্তু লক্ষনীয় হল, গেহলট দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি নিজের জেদ বজায় রেখেছেন। সনিয়া গতমাসে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার আগেই গেহলটকে জানিয়ে দেন তাঁকেই দলের সভাপতির দায়িত্ব নিতে হবে। সেই থেকে গোটা কংগ্রেস পরিবার জানে নির্বাচন হলে গান্ধী পরিবারের প্রার্থী হিসাবে গেহলটের জয় নিশ্চিত।

অন্যদিকে, গেহলট প্রথম থেকেই ইঙ্গিত দিয়ে আসছিলেন, তিনি মোটেই রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে চান না। শেষ পর্যন্ত তিনি সভাপতি নির্বাচনের দৌড় থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন, জানিয়ে দেন সনিয়াকে। সনিয়ার ২২ বছরের সভাপতিত্বে এমন নজির নেই।

অবাধ্য গেহলটকে সাজা দিতে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে কি তাঁকে সরিয়ে দিতে পারেন সনিয়া, রাহুলরা? সেই ক্ষমতা সনিয়ার আছে সন্দেহ নেই। রাজস্থানের কংগ্রেস বিধায়ক দলও প্রস্তাব নিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী সংক্রান্ত বিষয়ে শেষ কথা সনিয়া বলবেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, সনিয়া কি গেহলটকে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার থেকে সরানোর মত অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেবেন?

তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী গেহলট সমর্থকেরা হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বদলের পরিণাম হবে পাঞ্জাব। এ বছর বিধানসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে মুখ্যমন্ত্রী বদলের সিদ্ধান্ত ঘিরে দল বলতে গেলে ছারখার হয়ে যায়। ভোটে ভরাডুবি হয় কংগ্রেসের। সেখানে তৎকালীন কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দরের সঙ্গে ক্রিকেটার নভজ্যোত সিং সিধুর বিরোধ সামাল দিতে গিয়ে পদে পদে ভুল করেন সনিয়া, রাহুলরা। শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিয়ে মাঝপথে দল ছেড়ে যান অমরিন্দর।

রাজস্থানে অশোক গেহলট বনাম সচিন পাইলটের বিরোধ বহু পুরনো। কিন্তু চলতি বিতর্কে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে সচিন পাইলটের সঙ্গে আছে হাতে গোনা কয়েকজন বিধায়ক। নব্বই ভাগই আছেন গেহলটের সঙ্গে। ফলে সচিনকে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসিয়ে দিলে সরকার টিকিয়ে রাখা কঠিন তো হবেই, বিধায়কদের দলে দলে বিজেপিতে চলে যাওয়া অসম্ভব নয়। পাঞ্জাবের মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হলে গেহলটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যে রীতিমত ঝুঁকির, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে, সনিয়া ও রাহুলদের এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখী হওয়ার অভিজ্ঞতা নেই।

অশোক গেহলট কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়বেন না, ক্ষমা চাইলেন সনিয়ার কাছে


```