
শেষ আপডেট: 27 July 2022 13:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) প্রশ্নের জবাবে বারে বারে প্রয়াত কংগ্রেস নেতা মতিলাল ভোরার (Matilal Bhora) নাম নিছেন সনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। তাঁর বক্তব্য, ন্যাশনাল হেরাল্ডের মালিক সংস্থা অ্যাসোসিয়েট জার্নাল লিমিটেড এবং ইয়ং ইন্ডিয়ায় লিমিটেডের বিষয়টি দলের তরফে দেখতেন ভোরা। তিনি এবং রাহুল গান্ধী পদাধিকার বলে ওই দুই কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ভোরার নামেও কোম্পানির শেয়ার ছিল।
যদিও কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোরার ছেলে অরুণ কংগ্রেসের দুই শীর্ষ নেতার বক্তব্য নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, জীবদ্দশায় তাঁর বাবার মুখে ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডের শেয়ারের কথা শোনেনি। বাবা মারা যাওয়ার পরও এই সংক্রান্ত কোনও কাগজপত্র তাঁরা পাননি।
রাজস্থানের মানুষ মতিলাল ভোরা দু বছর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি টানা পনেরো বছর কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি ছিলেন গান্ধী পরিবারের একেবারে ঘরের লোক।
সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির কোষাধ্যক্ষ হওয়ার আগে মতিলাল বহু বছর কেন্দ্রের মন্ত্রী, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী এবং লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। এছাড়া উত্তরপ্রদেশে টানা পাঁচ বছর রাজ্যপাল ছিলেন তিনি। পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসাবে নামডাক ছিল তাঁর।
সনিয়া, রাহুল, ভোরা ছাড়াও অস্কার ফার্নান্দেজ, শ্যাম পিত্রদার নামেও শেয়ার বরাদ্দ হয়। ভোরা ও অস্কার মারা গিয়েছেন। তাঁদের নাম মামলা থেকে বাদ দিয়েছে ইডি। কিন্তু সনিয়া, রাহুল প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ ভোরার নাম বারে বারে নিচ্ছে।
ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বুধবারও সনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি। ন্যাশনাল হেরাল্ড ছিল কংগ্রেসের মুখপত্র। ধারাবাহিকভাবে লোকসানে চলায় ২০০৮- এ সেটি বন্ধ করে দেয় দল। ওই কাগজের মালিক সংস্থা ছিল অ্যাসোসিয়েটেড জার্নাল লিমিটেড। সেই সংস্থার ঋণ মকুবের জন্য কংগ্রেস ইয়ং ইন্ডিয়ান লিমিটেড নামে আর একটি কোম্পানি খোলে। সেটি আদতে একটি ট্রাস্ট বলে দল দাবি করছে। সেই কোম্পানির ৭৬ শতাংশ শেয়ার সনিয়া ও রাহুলের নামে বরাদ্দ করে দল।
গতমাসে রাহুল গান্ধীকে টানা পাঁচদিন এবং গত তিনদিন ধরে সনিয়া গান্ধীকে বারে বারেই ইডি শেয়ার বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন করছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, রাহুলের মতো সনিয়াও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রয়াত মতিলাল ভোরার নাম নিয়েছেন। দু জনেরই বক্তব্য, এই বিষয়ে বিশদ জানতেন ভোরা।
জানা গিয়েছে, ইডি সনিয়ার কাছে জানতে চায় ন্যাশনাল হেরাল্ডের মালিকানা বদল সংক্রান্ত বিষয়ে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটিতে আলোচনা হয়েছিল কিনা। শেয়ার বণ্টনের বিষয়ে বাকি সদস্যরা অবিহিত ছিলেন কিনা। কীভাবে ঠিক হয় কার নামে কত শেয়ার বরাদ্দ করা হবে, ইত্যাদি।
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের প্রশ্নের জবাবে বারে বারে প্রয়াত কংগ্রেস নেতা মতিলাল ভোরার নাম নিছেন সনিয়া গান্ধী। তাঁর বক্তব্য, ন্যাশনাল হেরাল্ডের মালিক সংস্থা অ্যাসোসিয়েট জার্নাল লিমিটেড এবং ইয়ং ইন্ডিয়ায় লিমিটেডের বিষয়টি দলের তরফে দেখতেন ভোরা। তিনি এবং রাহুল গান্ধী পদাধিকার বলে ওই দুই কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ভোরার নামেও কোম্পানির শেয়ার ছিল।
যদিও কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোরার ছেলে অরুণ কংগ্রেসের দুই শীর্ষ নেতার বক্তব্য নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, জীবদ্দশায় তাঁর বাবার মুখে ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডের শেয়ারের কথা শোনেনি। বাবা মারা যাওয়ার পরও এই সংক্রান্ত কোনও কাগজপত্র তাঁরা পাননি।
রাজস্থানের মানুষ মতিলাল ভোরা দু বছর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি টানা পনেরো বছর কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি ছিলেন গান্ধী পরিবারের একেবারে ঘরের লোক।
সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির কোষাধ্যক্ষ হওয়ার আগে মতিলাল বহু বছর কেন্দ্রের মন্ত্রী, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী এবং লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। এছাড়া উত্তরপ্রদেশে টানা পাঁচ বছর রাজ্যপাল ছিলেন তিনি। পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসাবে নামডাক ছিল তাঁর।
মহারাষ্ট্রে কার্যত কেন্দ্রীয় শাসন, শিন্ডের শপথের পর মাস ছুঁতে চলল, পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা হয়নি
সনিয়া, রাহুল, ভোরা ছাড়াও অস্কার ফার্নান্দেজ, শ্যাম পিত্রদার নামেও শেয়ার বরাদ্দ হয়। ভোরা ও অস্কার মারা গিয়েছেন। তাঁদের নাম মামলা থেকে বাদ দিয়েছে ইডি। কিন্তু সনিয়া, রাহুল প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ ভোরার নাম বারে বারে নিচ্ছে।
ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বুধবারও সনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি। ন্যাশনাল হেরাল্ড ছিল কংগ্রেসের মুখপত্র। ধারাবাহিকভাবে লোকসানে চলায় ২০০৮- এ সেটি বন্ধ করে দেয় দল। ওই কাগজের মালিক সংস্থা ছিল অ্যাসোসিয়েটেড জার্নাল লিমিটেড। সেই সংস্থার ঋণ মকুবের জন্য কংগ্রেস ইয়ং ইন্ডিয়ান লিমিটেড নামে আর একটি কোম্পানি খোলে। সেটি আদতে একটি ট্রাস্ট বলে দল দাবি করছে। সেই কোম্পানির ৭৬ শতাংশ শেয়ার সনিয়া ও রাহুলের নামে বরাদ্দ করে দল।
গতমাসে রাহুল গান্ধীকে টানা পাঁচদিন এবং গত তিনদিন ধরে সনিয়া গান্ধীকে বারে বারেই ইডি শেয়ার বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন করছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, রাহুলের মতো সনিয়াও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রয়াত মতিলাল ভোরার নাম নিয়েছেন। দু জনেরই বক্তব্য, এই বিষয়ে বিশদ জানতেন ভোরা।
জানা গিয়েছে, ইডি সনিয়ার কাছে জানতে চায় ন্যাশনাল হেরাল্ডের মালিকানা বদল সংক্রান্ত বিষয়ে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটিতে আলোচনা হয়েছিল কিনা। শেয়ার বণ্টনের বিষয়ে বাকি সদস্যরা অবিহিত ছিলেন কিনা। কীভাবে ঠিক হয় কার নামে কত শেয়ার বরাদ্দ করা হবে, ইত্যাদি।