দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভূত আছে কি নেই, সে তর্কের নিষ্পত্তি নাই বা হল. তবে ছোটবেলায় ভৌতিক কাহিনি শুনতে ভাল লাগেনি, এমন মানুষ বিরল। বড় হয়ে গেলেও ভূতের সিনেমা দেখার অভ্যাস অনেকেরই যায় না। আসলে ভূত কেমন দেখতে, তার থেকেও বেশি আগ্রহ কাজ করে ভূতেরা কেমন জায়গায় থাকে তার প্রতি। নিশুতি রাতের গা-ছমছমে বিষয়টাই যেন অনেকে উপভোগ করেন।
সারা পৃথিবীতেই এমন নানা গা-ছমছমে জায়গা আছে, যা দেখার জন্য রীতিমতো ভিড় জমান পর্যটকরা। এমন জায়গা কিন্তু ভারতেও আছে, এমনকি কলকাতাতেও। সামনেই শীতকাল। গভীর রাতের অন্ধকারে একবার এই জায়গাগুলোয় ঘুরে আসবেন কিনা ভেবে দেখুন।
রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন, কলকাতা
রাতের মেট্রোর যাত্রী যাঁরা, অনেক সময়ই রাতে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেছেন বলে জানিয়েছেন। মাঝে মাঝে শুনেছেন কান্নার আওয়াজও। বিশ্বাস করবেন কি করবেন না তা ব্যক্তিগত বিষয়। মেট্রো স্টেশনে প্রায় দিনই আত্মহত্যার খবর অনেকেই শোনেন। অনেকেই মনে করেন, স্টেশনে তাঁদেরই অতৃপ্ত আত্মা ঘুরে বেড়ায়। রাতের বেলা একা একা যাবেন নাকি এই স্টেশনে?

বেগুনকোদর রেল স্টেশন, পুরুলিয়া
পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম ভৌতিক রেল স্টেশন বেগুনকোদর। পুরুলিয়ার মানুষ ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকেন, এমনকি এই স্টেশনের ধারেকাছে পর্যন্ত যান না। ৪২ বছর এই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। ওখানকার মানুষের কথায় জানা যায়, প্রায় দিন রাতেই রেললাইনের উপর সাদা কাপড় পরিহিত এক মহিলাকে দেখা যেত। শোনা যায় বহুদিন আগেই সেখানে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। এখন যদিও সরকার অনুমতি দেওয়ায় ওখানে ট্রেন চলছে।
.png)
দম্বিভলি রেল স্টেশন, মহারাষ্ট্র
এখানকার এক যাত্রীর মুখে জানা যায়, প্রত্যেকদিন রাতেই একজন মেয়েকে বসে থাকতে দেখা যায়। সে প্রতিরাতেই ওখানে ট্রেনের জন্য নাকি অপেক্ষা করে। একবার তার সঙ্গে নাকি সেই যাত্রীর কথাও হয়। কিন্তু পরের দিন আবারও নাকি তিনি সেই মেয়েটাকে এক জায়গায় বসে থাকতে দেখেছেন। অনেকের কাছে জিজ্ঞেসও করেছেন মেয়েটাকে দেখেছেন কিনা। কিন্তু প্রত্যেকের উত্তরই না!

বারোগ স্টেশন, সিমলা
কালকা থেকে সিমলার পথে ট্রেনে চেপে এই স্টেশনের পাশ দিয়ে যেতে যাত্রীদের রীতিমতো গায়ে কাঁটা দেয়। স্টেশনের নামকরণ হয়েছিল ব্রিটিশ রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ার কোলোনেল বারোগের নামে। তিনি সেময় এখানে কাজ করতেন। একদিন সহকর্মীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অপমানিত হন। আঘাত সহ্য করতে না পেরে নিজেকে গুলি করে মেরে ফেলেন তিনি। শোনা যায় তার সৎকার করা হয়নি। এখনও নাকি তার আত্মা ঘুরে বেড়ায় সেই স্টেশনে!
