শেষ আপডেট: 6 January 2020 06:22
জেএনইউ-তে হামলায় শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রী মিলিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ৩৪ জন। তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রবিবার রাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দিল্লি পুলিশের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেন। সোমবার দিল্লির লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল বাইজালের সঙ্গেও তিনি কথা বলেছেন। ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা থাকলেও কেউ হামলাকারীদের বাধা দেয়নি। দুষ্কৃতীদের অবাধে হামলা চালিয়ে পালাতে দিয়েছে।
দিল্লি পুলিশ রবিবার থেকে জেএনইউ নিয়ে বেশ কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছে। সবগুলি অভিযোগ একসঙ্গে নিয়ে একটিই এফআইআর করা হয়েছে। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের সচিব সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রোক্টর এবং রেক্টরকে ডেকে পাঠিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ ৫০ জনের বেশি হামলাকারী জেএনইউ চত্বরে ঢোকে। ছাত্ররা টুইট করে বলেছে, আক্রমণকারীরা ‘এবিভিপি-র গুন্ডা’। যে অধ্যাপকরা ছাত্রছাত্রীদের বাঁচাতে গিয়েছিলেন, গুন্ডারা তাঁদেরও মেরেছে। জেএনইউ-ইয়ের ছাত্র সংসদের সহ সভাপতি সাকেত মুন বলেন, “রবিবার বিকাল থেকেই পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উপস্থিত ছিল। কিন্তু তারা হামলা ঠেকাতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।”
হামলার পরে রাতে পুলিশ জেএনইউয়ের মধ্যে ফ্ল্যাগ মার্চ করে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে যাতে হামলাকারীদের কেউ লুকিয়ে থাকতে না পারে সেজন্য তল্লাশি করা হয়। ছাত্ররা জড়ো হয়ে স্লোগান দেন, “দিল্লি পুলিশ গো ব্যাক!” কয়েকশ ছাত্র দিল্লি পুলিশের সদর দফতরের বাইরে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেয়। অনেক ছাত্রছাত্রী ব্যাগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে আসেন। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নিরাপত্তা না থাকলে সেখানে ফিরব না।