
শেষ আপডেট: 18 November 2022 12:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন কিছু দেশের বিদেশ নীতির (foreign Policy) অংশ। তারা সরাসরি এই কাজ করে থাকে। অন্যদিকে, কিছু দেশ পরোক্ষে এই কাজে যুক্ত। তারা সন্ত্রাসবাদী (Terrorism) কার্যকলাপে যুক্ত রাষ্ট্রগুলিকে মদত দেয়, আড়াল করে।
আজ দিল্লিতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বিরোধী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ওই সম্মেলনের আয়োজক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ সম্মেলনে বলেন, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার থেকেও বড় অপরাধ হল, এই কাজে অর্থ সাহায্য করা।
অনেকেই মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী নাম না করে চিন ও পাকিস্তানকে নিশানা করেছেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে
কাশ্মীর সহ অন্যত্র সন্ত্রাসবাদীদের মদত দেওয়ার অভিযোগ করে আসছে ভারত। ২০০৮- এ মুম্বই হামলা, ২০১৮ তে কাশ্মীরে সেনা ছাউনি আক্রমণের পর ভারত আন্তর্জাতিক নানা মঞ্চে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছে।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপুঞ্জ সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে আসছে চিন। প্রধানমন্ত্রী মোদী আজ এই দ্বিতীয় ভূমিকার জন্য চিনকে কাঠগড়ায় তুলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত তৃতীয় 'নো মানি ফর টেরর মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স অন কাউন্টার-টেরোরিজম ফাইন্যান্সিং'-এ ৭০টির বেশি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সামনে আজ ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মোদি বলেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অস্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার কোনও জায়গা নেই। এটি মানবতা, স্বাধীনতা এবং সভ্যতার উপর আক্রমণ। এটি কোন সীমানা জানে না। শুধুমাত্র একটি অভিন্ন, ঐক্যবদ্ধ এবং শূন্য-সহনশীলতার দৃষ্টিভঙ্গি সন্ত্রাসবাদকে পরাস্ত করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দশকের পর দশক ধরে বিভিন্ন নাম এবং রূপ নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ভারতকে আঘাত করার চেষ্টা করেছে। আমরা হাজার হাজার মূল্যবান জীবন হারিয়েছি। কিন্তু আমরা সাহসিকতার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। সন্ত্রাস নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমরা বিশ্রাম নেব না।
মমতা মন্ত্রিসভায় তখন কী বলেছিলাম, এখন তা প্রকাশ্যে বলব না: শুভেন্দু