দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্ত্রীয়ের উপর আক্রোশ এত সাঙ্ঘাতিক পর্যায়ে গিয়েছিল যে খুন করেই শান্ত হননি সেনা জওয়ান। মৃতদেহ কুপিয়ে শত টুকরো করেছিলেন তিনি। দেহ উদ্ধারের সময় চমকে উঠেছিল পুলিশও। তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন, মহিলার শুধু মাত্র হাড়ের কিছু টুকরো আর রক্ত মাখা চুড়ি অবশিষ্ট ছিল। সেগুলির ডিএনএ পরীক্ষা করে তবেই মহিলার সনাক্ত করা যায়। ধরা পড়েন জওয়ানও।
ঘটনা গত ৬ অগস্টের। লুধিয়ানার বাসিন্দা গুরুচরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী কুলজিৎ কৌরকে খুন করার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, কুলজিতের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল গুরুচরণের। তাঁরা আলাদা থাকতেন। ৬ অগস্ট গুরুচরণের সঙ্গে কুলজিতের দেখা হয়। তার পর থেকেই মহিলা নিখোঁজ ছিলেন। গত ৯ অগস্ট কুলজিতের বাবা থানায় নিখোঁজ ডায়রি করেন।
তদন্তে নামে লুধিয়ানা পুলিশ। প্রথম সন্দেহ গিয়ে পড়ে গুরুচরণের উপরেই। কারণ তাঁর সঙ্গে কুলজিতের সম্পর্ক একেবারেই ভালো ছিল না। কিন্তু সেই সময় জওয়ানকে ধরা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের পরেই লাদাখে পালিয়ে গিয়েছিলেন গুরুচরণ। সেখানেই তাঁর পোস্টিং ছিল। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রায় এক মাস হাসপাতালে ভর্তিও ছিলেন তিনি। ফিরে এসে আত্মসমর্পণ করেন।
স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করেছেন জওয়ান। জানিয়েছেন, এক বন্ধুর সঙ্গে মিলে কুলজিতকে প্রথমে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। পরে তাঁর দেহ শত টুকরো করে বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয় নালার জলে। গুরুচরণের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।