দ্য ওয়াল ব্যুরো : মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় পুলওয়ামার গোসু অঞ্চলে জঙ্গিদমনে যৌথ অভিযান শুরু করে সিআরপিএফের ১৮৩ নম্বর ব্যাটেলিয়ন, সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস ইউনিট এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। শুরু হয় গুলির লড়াই। এক সৈনিক নিহত হন। আহত হন আরও দু'জন। একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিল দুই জঙ্গি। তাদের একজনও গুলিতে মারা গিয়েছে।
ভোর ছ'টায় কাশ্মীর পুলিশের এক টুইটে বলা হয়, পুলওয়ামার গোসু অঞ্চলে এনকাউন্টার শুরু হয়েছে। পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীরা সেখানে রয়েছেন। এখনও পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি।
পুলিশের অপর একটি টুইটে বলা হয়েছে, অজ্ঞাতপরিচয় এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। এখনও অপারেশন চলছে।
https://twitter.com/KashmirPolice/status/1280318191508443136
গত সপ্তাহে শ্রীনগরে এনকাউন্টারে এক জঙ্গি নিহত হয়। সে ২৬ জুন এক সিআরপিএফ জওয়ান ও তাঁর ছয় বছরের শিশুপুত্রকে খুন করেছিল। সেদিন সে পালিয়ে যায়। পরে জাহিদ দাস অঞ্চলে অপারেশন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। গত মাসে পৃথক এনকাউন্টারে মারা গিয়েছেন ৪৮ জন।
গত মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ প্রধান দিলবাগ সিং বলেন, চলতি বছরে ১০০-র বেশি জঙ্গি মারা গিয়েছে। তাঁর কথায়, "গত সাড়ে পাঁচ মাসে ১০০-র বেশি জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫০ জনের বেশি হিজবুল মুজাহিদিনের সদস্য ছিল। ২০ জন ছিল লস্কর ই তৈবার। ২০ জন ছিল জৈশ ই মহম্মদের। বাকিরা আল বদর, আনসার গাজয়াতউল হিন্দের সদস্য ছিল।"
শনিবারও দক্ষিণ কাশ্মীরে কুলগামে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই হয়েছে জঙ্গিদের। দু’পক্ষের সংঘাতে খতম হয়েছে এক জঙ্গি। তার কোনও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আহত হয়েছেন ২ জন জওয়ান।
কুলগামের এসপি গুরিন্দরপাল সিং জানিয়েছেন গোপন সূত্রে খবর ছিল সেখানকার আরেহ গ্রামে লুকিয়ে রয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। সেই সূত্র ধরেই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। তবে নিরাপত্তাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়েই গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং সিআরপিএফ জওয়ানদের যৌথ অভিযান চলছে কুলগামের ওই গ্রামে।