
ভাইয়ের মৃত্যুতে দিদি-জামাইবাবু ও মামাশ্বশুর গ্রেফতার
শেষ আপডেট: 15 June 2024 13:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: দক্ষিণেশ্বরে যুবক খুনে পরিবারেরই তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার ঘর থেকে উদ্ধার হয় অপূর্ব ঘোষ নামে বছর ২৬ এর ওই যুবকের রক্তাক্ত দেহ। তদন্তে নেমে মৃতের পরিবারের তিনজনকে গ্রেফতার করে দক্ষিণেশ্বর থানার পুলিশ। এরা সম্পর্কে অপূর্বর দিদি-জামাইবাবু ও দিদির মামাশ্বশুর।
পুলিশসূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অপূর্বর সঙ্গে তাঁর দিদির সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ চলছিল। গত পয়লা জুন অপূর্বকে খুন করার পরিকল্পনা করে অভিযুক্তরা। সেই মতো ১২ই জুন রাতে আড্ডায় ডাকা হয় তাঁকে। আর সেই আসরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয় অপূর্বকে। ফল ব্যবসায়ী অপূর্বকে বাড়ির ভিতরে ঢুকে কে খুন করল, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছিল। প্রথম থেকেই পুলিশের সন্দেহ হয় তাঁর নিকটাত্মীয়রাই কেউ খুন করেছে অপূর্বকে।
তদন্তে নেমে দক্ষিণেশ্বর থানার পুলিশ মৃতের দিদি অলন্তিকা দাস, জামাইবাবু সুদীপ দাস এবং মৃতের দিদির মামা শ্বশুর সঞ্জীব পাত্রকে গ্রেফতার করে। জেরায় তাঁর দিদি অলন্তিকা খুনের কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশের দাবি। পুলিশ জানিয়েছে, সম্পত্তি নিয়ে ভাই-বোনের বিবাদ ছিল। দিদি নিজে খুন না করলেও লোক পাঠিয়েছিলেন।
এসিপি বেলঘরিয়া সীমান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পয়লা জুন অপূর্বর বাড়িতে গিয়েছিলেন সঞ্জীব পাত্র। মদের আসরে সঞ্জীব পাত্রকে গালাগালি দেওয়া হয়। তারপর থেকেই খুনের পরিকল্পনা চলছিল। তিনি বলেন, "জামাইষষ্ঠীর দিন বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে সেই মামা শ্বশুরকে দিয়েই খুন করান দিদি। পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিতে তেমনটাই জানিয়েছেন তিনি। জামাইষষ্ঠীর পরের দিন রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়।"