
শেষ আপডেট: 1 September 2021 09:25
(প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী)
সন্তানের বাবা কে? ‘একা মা’ হলেন কীভাবে? ডিভোর্সি? সেপারেটেড ? নাকি.... এই অবধি এসেই একটা বড় শূন্যস্থান। ইচ্ছামতো কথা বসিয়ে নেওয়ার অধিকার অর্জন করেছে সমাজ (SingleMother)! নারীকে যেন বাঁচতে হবে তাঁর পিতা অথবা বরের পরিচয়েই। নিজের গর্ভে তিল তিল করে যে প্রাণ গড়ে তুলবে নারী তার পরিচয়ও যেন তার নিজের নয়। সেখানেও অধিকার-অনধিকারের প্রশ্ন আছে। একক মাতৃত্ব নিয়ে আইন উদারতার পরিচয় দিলেও, সমাজ কতটা সাবালক/Matured হয়েছে সে নিয়ে বড় একটা প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যায়। সবচেয়ে আগেই যে প্রশ্নটা উড়ে আসে নানাদিক থেকে তা হল..সন্তানের বাবা কে? [caption id="attachment_2353662" align="aligncenter" width="436"]
মেয়ে তকাইয়ের সঙ্গে ইলীনা বণিক[/caption]
ডিজিটাল সোসাইটির মধ্যেও অন্তঃসলীলা হয়ে যে গোঁড়ামির চোরাস্রোত বয়ে যাচ্ছে, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে পিতৃ পরিচয় ছাড়াই সম্প্রতি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সংসদ অভিনেত্রী। হয়ত আগামী দিনে তাঁকে আরও নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। সেই পরিস্থিতি বোঝার জন্য প্রয়োজনীয় সাহস এবং রসদ হয়ত তাঁর আছে। যদিও এটা তাঁর ও তাঁর পরিবারের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।
আমার জীবনের গল্পটা তাঁর থেকে একটু আলাদা। সমাজের গোঁড়া নীতি নিয়মের তোয়াক্কা করিনি কখনও। বরাবরই আমার মনে হয়েছে, সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য পিতৃ পরিচয় তুলে ধরার কোনও প্রয়োজন। আমি একজন নারী, আমার গর্ভে তিলে তিলে যে প্রাণকে বড় করে তুলব তার পরিচয় হবে আমার পরিচয়েই। আমি কখন মা হব, কার সন্তানকে গর্ভে ধারণ করব, সেটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত বিষয়। জানতাম, এমন ভাবনাকে সমাজ সহজ চোখে মেনে নেবে না হয়ত।
জীবনে অনেক সম্পর্ক এসেছে। প্রেম এসেছে বার বার। আমি পুরুষবিদ্বেষী নই, তবে শারীরিক ও মানসিক সম্পর্কের দিক থেকে যাঁকে আদর্শ এবং শ্রদ্ধার যোগ্য মনে হবে, তাঁর সন্তানেরই জন্ম দিতে চেয়েছি। আমার বিয়ে সেদিক থেকে সার্থক ছিল না। বেশিদিন সেই সম্পর্কে থাকিনি। বেরিয়ে এসেছি। তারপরেও প্রেম এসেছে বার বার। বিবাহবিচ্ছেদের পরেই মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অথবা বিবাহিত অবস্থায় অন্য পুরুষের সঙ্গ ও সন্তান কামনাও করেছি কখনও।
আমার অবচেতনকে অনুপ্রাণিত করেছে রবীন্দ্রনাথের গান, ”আমি তোমার প্রেমে হব সবার কলঙ্কভাগী”...ছোটবেলায় আমার মা গাইতেন, আমার অবচেতনে ঢুকে গেছিল গানটা। জানতাম পথটা সহজ নয়। “আমার পথে পথে পাথড় ছড়ানো”..গেয়েছিলেন সুচিত্রা মিত্র। তিনিও সিঙ্গল মাদার হিসেবেই সন্তানকে বড় করে তুলেছিলেন সার্থকভাবেই। হয়ত অনেক কঠিন পথ অতিক্রম করতে হবে আত্মজ সন্তানকে নিয়ে জানতাম, এবং আজও জানি। আমি পদে পদে ক্ষতবিক্ষত হব না। রক্তাক্ত হব না। আমার সত্ত্বায় চিড় ধরবে না।
"আমার যেমন বেনী তেমনি রবে, চুল ভিজাব না"... বাউলরা গায়, স্কুলের বাংলার শিক্ষিকা কৃষ্ণা মৈত্র ক্লাসে পড়াতে গিয়ে এই লাইনটা বলতেন। পরে শান্তিনিকেতনে কলাভবনে পড়ার সময় বাউলের কাছে এই গানটা বার বার শুনতে চাইতাম। জলে সাঁতার কাটার সময়ে সাদা ডানা হাঁসের পাখায় যেমন জল লাগে না, তেমন সমাজের ছিটিয়ে দেওয়া কলঙ্কের কাদা আমাদের মতো সিঙ্গল মাদারদের স্পর্শ করে না, করতে নেই।
আমি যে বরাবরই অন্য ভাবনায় বিশ্বাসী। নিজের টার্মসে বাঁচতে চেয়েছি, পরাধীনভাবে নয়, নিজের অধিকারে ও সম্মানে। স্কুলে অ্যাসেম্বলি লাইনে আমরা প্রায় রোজই গাইতাম, "এই আকাশে আমার মুক্তি আলোর আলোয়.. দেহ-মনের সুদূর পাড়ে হারিয়ে ফেলি আপনারে, গানের সুরে আমির মুক্তি ঊর্ধ্বে ভাসে..."।
'বায়োলজিক্যাল মাদার' হতেই চাইতাম। তাই হয়েছি। সালটা ২০১২। আমার ডিম্বানু নিষিক্ত সন্তান ভূমিষ্ঠ হল। সন্তান ধারণ করবার পদ্ধতির মাধ্যমে জানতে পারি আমার ফ্যালোপিয়ান টিউবে ব্লক রয়েছে। অগত্যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতেই মা হতে হবে। আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) পদ্ধতি আরম্ভ হওয়ার সময়ের একটা ঘটনা মনে পড়ে। তখনও কাউকে জানাইনি আমি মা হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। মিডিয়ার কাছে সবটাই গোপন রেখেছিলাম। একান্ত ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানতেন, যাঁরা এই পদ্ধতির মধ্যে ছিলেন। গর্ভসঞ্চারের আগে চিকিৎসা পদ্ধতি চলার সময় একদিন নার্সিংহোমে ছিলাম। সেখানে হঠাৎ দেখা প্রতিবেশী এক মহিলাকে দেখতে আসা দুই প্রতিবেশিনীর সঙ্গে। আমি নার্সিংহোমে তখন ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। যেহেতু আমার নিজের কেবিনে বন্দি থাকতে আমার ভাল লাগছিল না। আমাকে দেখে তাঁরা কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, 'কী হয়েছে তোমার?' সম্ভবত আমরা উভয় পক্ষই ভূত দেখার মতো চমকে উঠলাম একে অপরকে দেখে। আমি বলতে চাইলাম না। ওঁরা হয়ত ভেবেছিলেন আমি গর্ভপাত করাতে গিয়েছিলাম।
আমার সন্তান সম্ভাবনার সব লক্ষণ অনেকদিন নিজের মধ্যে গোপন রাখতে পেরেছিলাম সমাজের চোখে। সন্তান জন্মের তিনদিন আগে আমেরিকান সেন্টারের আমন্ত্রণে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে যোগ দিতে লামার্টিনিয়ার স্কুলে গিয়েছিলাম। সেখানে হিলারি ক্লিন্টন এসেছিলেন। সামনের সারি থেকে উঠে দাঁড়িয়ে হিলারি ক্লিন্টনকে প্রশ্ন করেছিলাম, ভারতবর্ষে একক মায়েদের সামাজিক সুরক্ষা বা সোশ্যাল সিকিউরিটির প্রয়োজন আছে কিনা? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, “শিশুরা জাতির ভবিষ্যৎ, সেই জন্যে মা ও শিশুর ভাল থাকার প্রয়োজন অবশ্যই আছে এবং একক মায়েদের সামাজিক সুরক্ষা বা সোশ্যাল সিকিউরিটিরও প্রয়োজনও সেই কারণেই আছে।“ তিনি একক মাতৃত্বকে সমর্থন করেছিলেন।
আমার মেয়ের যখন দেড়-দু'বছর বয়স, তখন প্রতিবেশী এক মহিলা বলেছিলেন, "তোমাদের বাড়ির কেচ্ছার খবর জানতে বাকি আছে? এই যে গ্যাঁড়াটা ঘুরে বেড়াচ্ছে, সে কোথা থেকে এল জানতে বাকি আছে? " আমাদের বাড়ির পরিচারিকা ও প্রতিবেশীদের দারোয়ান ও সিকিউরিটি গার্ডের সামনে এমন কথা বলেছিলেন।
অসম্মানিত হয়েছি, দুঃখও পেয়েছি। কিন্তু লজ্জাবোধ হয়নি। কারণ সমাজের এই ভ্রান্ত বিশ্বাস বা ধারণা ভেঙেচুরে তছনছ করে বেরনোর সিদ্ধান্ত আমারই ছিল। শুধু অবাক হয়েছিলাম, তথাকথিত শিক্ষিত বলে নিজেদের দাবি করেন যাঁরা, তাঁদের এমন নিম্ন রুচি ও মানসিকতা কীভাবে হতে পারে!
আমার নিজের গর্ভে নিজের সবটুকু দিয়ে তিলে তিলে যে প্রাণ ধারণ করব সে আমারই সন্তান। কার সন্তানের জন্ম দেব, সেটা আমারই সিদ্ধান্ত, Its my Body, its my Life, its my Vagina, Its my Overy, Its my Uterus.... ‘একা মা’ হওয়া সাহসের। একা হাতে সন্তানকে বড় করে তোলা কঠিন পরিশ্রমের এবং সাধনারও।
সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলাম। শুনেছিলাম আমাকে সন্তান কোলে ঢুকতে দেখে কিছু কানাঘুষো হয়েছিল। কিন্তু আমার সামনে নয়, তাই পাত্তা দিইনি। যখন থেকে মিডিয়া জেনেছে, মিডিয়া আমাকে যথেষ্ট সম্মান ও সমর্থন করে এসেছে এবং বিবাহবিচ্ছিন্ন, পুনরায় অবিবাহিত অবস্থায় একক মা হওয়ার সিদ্ধান্তকে সম্মান ও গুরুত্ব দিয়েছে। আমার মেয়েকে ভালবাসেন অনেকেই। আমার সন্তানের দু'বছর বয়সে দক্ষিণ কলকাতার এক প্রসিদ্ধ রেস্তোরাঁয় বসে বিখ্যাত এক ইংরাজি সংবাদপত্রকে যখন সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলাম, একটি পরিবার পেছন থেকে চেঁচামেচি করে আমাকে প্রচণ্ড অসম্মান করেছিল। অমরাবতীর বয়স এখন ৯ বছর। ও আমার জীবনের সেরা উপহার, অমৃতাস্য পুত্রী। ওকে পেয়ে আমার নারীত্ব সম্মানিত।
আইভিএফের জন্য স্পার্ম কিনিনি আমি। আমার সন্তানের পিতৃ পরিচয় আমি জানি। নিজের ইচ্ছাতেই পছন্দের পুরুষের সন্তানের জন্ম দিয়েছি। সমাজের কাছ থেকে গোপন রেখেছি ওর পিতৃ পরিচয়। কিন্তু সন্তানকে বড় করছি সিঙ্গল মাদার হিসেবেই।
গোটা পথটাই বন্ধুর ও কঠিন। তার মধ্যে দিয়ে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনতে হয় প্রতিনিয়ত। মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করার সময়ে কিছু সমস্যা হয়। কলকাতার নাম করা একটি স্কুলে আমি সন্তানের বাবাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারিনি বলে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। আমার মেয়ে অমরাবতী সেই সময় কয়েকটি স্কুলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল। আশ্চর্যের কথা হল, ২০১২ সালে আমি সিঙ্গল মাদার হয়েছি। ২০১৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়ে দিয়েছে যে সিঙ্গল মাদারদের সন্তানকে বড় করতে হলে পিতৃ পরিচয় দরকার পড়বে না। স্কুলে ভর্তি করার সময়েও বাবার নাম বাধ্যতামূলক নয়, মায়ের পরিচয়ই হবে সন্তানের পরিচয়। এতকিছুর পরেও আমাকে নানাদিক থেকে হেনস্থা সহ্য করতে হয়েছে। মনে পড়ে, একটি নামী স্কুলে মেয়েকে ভর্তি করানোর সময় সেই স্কুলের নিরাপত্তারক্ষীরা কিছু অযাচিত প্রশ্ন করেন, বাচ্চার বাবা কোথায়, বাবার নাম নেই কেন, বাবার ছবি নেই কেন, একাধিকবার কঠিন ইংরাজিতে প্রশ্ন করেন স্কুলের পুরুষ নিরাপত্তারক্ষীরা। স্কুলে অ্যাডমিশন ইন্টারভিউ দিতে যাওয়া আমাকে এবং আমার আড়াই বছরের কন্যাসন্তানকে ঘিরে পুরুষ নিরাপত্তারক্ষীদের একটি ছোটখাটো ভিড় জমে যায়। আমি মা কীভাবে হয়েছি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ক্লিনিকাল পেপার, আইভিএফ ক্লিনিকের ডাক্তারের সই করা সার্টিফিকেট তাঁরা দেখেন। তাতে লেখা ছিল আমার মেয়ে অমরাবতী আমার নিজস্ব ডিম্বানু ও ডোনার ফাদারের স্পার্ম থেকে জন্মেছে। আমার গর্ভে অঙ্কুরোদগম অভিমুখী একটি বীজ কীভাবে রোপণ করেছি তার প্রতিটা পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিতে আমি বাধ্য নই, কিন্তু সমাজ আমাকে বাধ্য করেছিল। একজন নারী সত্ত্বাকে অবমাননা নয়, মাতৃত্বকেই সেদিন কাঠগড়ায় তুলে দিয়েছিল এই সমাজ, “ছিন্ন খঞ্জনার মতো ইন্দ্রের সভাতে তখন সে নেচেছিল আহা..”।
সমস্যা আরও আসে। বার বার একই জবাব দিতে দিতে আমি কখনও ক্লান্ত বোধ করি। স্কুল থেকে কয়েকটি অ্যাফিডেভিট জমা দিতে বলেছিল। সেই সময় প্রখ্যাত আইনজীবী ও কলকাতার প্রাক্তন মেয়র বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আমাকে এবং আমার সন্তানকে প্রভূত সাহায্য করেন। সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। তিনি স্কুলের চাহিদা মতো অ্যাফিডেফিটের ড্রাফট আমাকে ফোনে বলে দিয়েছিলেন। একা মায়ের পথ চলতে গেলে যে আইনের কোনও বাধা নেই তাই তিনি স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেন। এখন আমার মেয়ে এই শহরেরই একটি নামী স্কুলে পড়ছে। শিক্ষিকারা অনেকেই ওকে ভালবাসেন, আর সহপাঠীরা বন্ধুরা ও তাদের অনেকের মায়েরাও খুব ভালবাসেন।
ভাবতে অবাক লাগে, স্বামীর পরিচয় ছাড়া মেয়েরা মা হলেই তাঁদের সিঙ্গল মাদার বলে দাগিয়ে দেয় সমাজ। অথচ দেখুন, আমার ঠাকুমা ও আরও অনেক মহিলাই দীর্ঘসময় বৈধব্যে কাটান। তাঁরাও তাঁদের সন্তানদের বড় করেছেন একার লড়াইয়ে। আমার নিজের মাও ২০০২ সাল থেকে একক মা হিসেবে ঢাল হয়ে আমাদের সঙ্গে আছেন। আমার মা যদিও ব্যাঙ্কে ভাল চাকরি করতেন। তাঁরাও তো সেই অর্থেই ‘একলা মা’। আমাদের সমাজে অনেক মহিলাই তাঁদের সন্তানদের একা বড় করছেন, ঝড়ঝাপটা সহ্য করে। নিজের রোজগার করার সামর্থ্য নেই অনেকের। তাঁদের জন্য সরকার আরও বেশি উদ্যোগ নিলে ভাল হয়। এখন রাজ্য সরকার সমাজের সুরক্ষার জন্য অনেক প্রকল্প নিয়ে এসেছেন। আসলে একা মায়েদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল সামাজিক নিরাপত্তা। একলা মাকে আইন স্বীকৃতি দিয়েছে, কিন্তু সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার এখনও খামতি রয়ে গেছে কোথাও। সেই সঙ্গে পদে পদে যোগ হয়েছে বাস্তব সমস্যাও। এই টানাপড়েনে শৈশব যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেটা দেখার দায়িত্ব নিতে হবে আমাদের। এদেশের কুন্তীরা যাতে তাঁদের সন্তানদের সসম্মানে সুশিক্ষায় শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য দিয়ে বড় করে তুলতে পারে তার জন্য রাষ্ট্রকে বাড়িয়ে দিতে হবে সামাজিক সুরক্ষার হাত। সম্মানের সঙ্গে যাতে একজন একলা মা নিজে কাজ করে, ভাল থেকে, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সন্তানকে বড় করে তুলতে পারে তাঁর 'স্ট্যান্ডার্ড অব লিভিং' অনুসারে According to her ability and social standard according to her need।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'