
শেষ আপডেট: 19 November 2021 12:35
হাওড়া শিখ সঙ্গত গুরুদ্বারের সভাপতি বচন সিং সরল পেশায় সাংবাদিক। তিনি বলেন, এই তিন আইনের সঙ্গে শিখ সম্প্রদায়ের জীবনযন্ত্রণা জুড়ে গিয়েছিল। তাই গুরুদ্বার পুরোপরি পাশে ছিল আন্দোলনের। তিনি জানান, কলকাতার শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ আইন তিনটি বাতিলের দাবিতে শহরে মিটিং মিছিল করেছেন। দিল্লি, পাঞ্জাবের লড়াইয়েও যোগ দিয়েছেন।
কলকাতায় রাসবিহারী অ্যাভেনিউতে অবস্থিত গুরুদ্বারটির পরিচালন সমিতির প্রধান বিতপাল সিং বলেন, গুরু নানকের জন্মদিনে কৃষি বিল প্রত্যাহারের ঘোষণার খবর পেয়ে আমরা খুব আনন্দিত। এই খবরটা আরও আগেই পাওয়া দরকার ছিল। এটা আগে ঘোষণা করলে ভাল হত, তাহলে এত লোক আন্দোলনে মারা যেত না। বৃষ্টি, ঠান্ডা, দুর্ঘটনায় যাদের প্রাণ গেছে, এমন ঘটত না। সেই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, সবাই বুঝতে পারছে ২-৩ জায়গায় নির্বাচনে মোদী হেরে গেছেন। তাই আইন তিনটি প্রত্যাহার না করা হলে দলের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে মনে করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাসবিহারীর ওই গুরুদ্বারে প্রার্থনা করতে এসেছিলেন বেসরকারি সংস্থার কর্মী, মাঝবয়সি প্রদীপ সিং। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ততে খুশি। তবে পুরোপুরি খুশি হব সংসদে বিল এনে প্রধানমন্ত্রী যেদিন আইন তিনটি পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেবেন। কারণ, প্রধানমন্ত্রী এমন অনেক কথাই বলেন। পরে তাতে আমল দেন না। তাঁর প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী এতদিন কেন হাত গুটিয়ে ছিলেন। এত মানুষ যখন মারা গেলেন তিনি কোথায় ছিলেন তখন?
মোদীর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না
কৃষি আইন বাতিলের খবরে খুশির হাওয়া বড়বাজারের বড়া শিখ সঙ্গত গুরুদ্বারে। সন্ধ্যায় সেখানে বিশেষ জমায়েতের আয়োজন হয়েছে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'