
শেষ আপডেট: 22 May 2023 08:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাতিল ২০০০ টাকার নোট (2000 note ban)! শুক্রবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার এক বিবৃতি সামনে আসতেই বিনা মেঘে বজ্রপাত পড়ে ভারতবাসীর মাথায়। ফের ২০১৬ সালের স্মৃতি তাড়া করতে থাকে। সেইসঙ্গে ছড়াতে থাকে নানান গুজব। দেশবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছে 'নোটবন্দির আতঙ্ক'! সেটাই আঁচ করে এবার মুখ খুললেন আরবিআইয়ের গভর্নর (RBI Governor) শক্তিকান্ত দাস। দেশবাসীকে তাড়াহুড়ো না করার পরামর্শ দিলেন তিনি। সেই সঙ্গে এও জানালেন, ২০০০ টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়ার অর্থ এই নয় যে তা অবৈধ, এবং দোকানদাররা সেই টাকা নিতে অস্বীকার করতে পারবেন না (Shops cannot decline 2000 notes)।
আগামীকাল অর্থাৎ ২৩ মে থেকে ব্যাঙ্কে গিয়ে দু'হাজার টাকার গোলাপি নোট জমা দিতে পারবেন মানুষ। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই কাজ করা যাবে। ফলে এখনই ব্যাঙ্কের বাইরে অযথা ভিড় না করার কথা বললেন আরবিআই গভর্নর। তিনি বলেন, চিন্তার কোনও কারণ নেই। বাজারে থাকা সব ২০০০ টাকার নোট বদলে দেওয়ার মতো টাকা ব্যাঙ্কগুলির কাছে আছে। নোট বদলের জন্য তাড়াহুড়ো করতে নিষেধ করেন তিনি।
২০১৬ সালে ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে এসে পুরনো ৫০০ ও ১ হাজার টাকার বাতিলের কথা জানিয়েছিলেন। সেইসঙ্গে বাজারে নতুন ৫০০ ও ২ হাজার টাকার নোট আনার কথাও বলেছিলেন। তারপরই দেখা যায় দেশবাসীর মধ্যে পুরনো নোট ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।
শুধু তাই নয়, নোট বাতিলের কথা ঘোষণা হতেই পুরনো নোট নিতে চাইতেন না কেউই। এবারও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। সেই বিষয় আঁচ করে শক্তিকান্ত বলেন, দোকানদাররা এখনই ২ হাজার টাকার নোট নিতে অস্বীকার করতে পারবেন না।
তিনি আরও বলেন, ২০০০ টাকার নোট চালু করার উদ্দেশ্য পূরণ হয়ে গিয়েছে। তাই ৪ বছর আগেই এই নোট ছাপানো বন্ধ হয়ে গেছে। এবার সেটাই বাজার থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। এটা রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কারেন্সি অপারেশনের একটা অংশ। দীর্ঘদিন থেকেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি ক্লিন নোট পলিসি মেনে আসছে। এই নোট প্রত্যাহার করা হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু এই নোটের লিগ্যাল টেন্ডার রয়েছে।
দু’হাজারি নোটে সিক্রেট চিপ, তার সঙ্গে জিপিএস! বিদায়বেলায় তাকে ঘিরে শুধুই নানা স্মৃতি