দ্য ওয়াল ব্যুরো : নির্দিষ্ট নির্দেশিকা ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম মেনে খুলতে দেওয়া হোক শপিং মলগুলি। শুক্রবার কর্নাটক সরকারের কাছে এমনই আর্জি জানাল শপিং সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া। তাদের দাবি, শপিং মলগুলি নিয়ম মেনে কাজ করতে পারবে। যে সংস্থাগুলিকে ইতিমধ্যে ছাড় দেওয়া হয়েছে, তাদের অনেকের চেয়ে ভালভাবে শপিং মলগুলি প্রোটোকল মেনে চলবে।
আগামী ১৮ মে থেকে শুরু হচ্ছে চতুর্থ দফার লকডাউন। এর মধ্যে যদি মল খুলতে হয়, তাহলে অবিলম্বে বন্ধ হয়ে থাকা দোকানগুলির এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম খতিয়ে দেখতে হবে। দোকান খুললে তার তাপমাত্রা রাখতে হবে ২৪ থেকে ৩০ ডিগ্রির মধ্যে। প্রেস্টিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইরফান রজ্জাক বলেন, “মানুষ যখন আগের মতো শপিং শুরু করবে, তখনই বলা যাবে স্বাভাবিকত্ব ফিরে এসেছে। শপিং মলের মালিকরা ইতিমধ্যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছেন। তাতে ক্রেতাদের সুরক্ষার ওপরে জোর দেওয়া হয়েছে।” ইরফান রজ্জাকের মতে, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম মেনে শপিং মল ও অন্যান্য দোকান খুলতে দেওয়া উচিত। শপিং সেন্টারস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান অমিতাভ তানেজা বলেন, “লকডাউন থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বিকেন্দ্রীভূত নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে। শপিং মলগুলি দেশে ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান করে। আমরা সরকারের কাছে যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম জমা দিয়েছি, তা মেনে চলা হলে অর্থনীতি ফের ঘুরে দাঁড়াবে।”
স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেমে বলা হয়েছে, শপিং মলে যে পরিমাণ পার্কিং স্পেস রয়েছে, তার ৫০ শতাংশ ব্যবহার করতে দেওয়া হবে। ৭৫ বর্গফুট এলাকার মধ্যে একজনের বেশি কাস্টমারকে থাকতে দেওয়া হবে না। ওয়াশরুম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিধি মেনে চলা হবে। ইনফ্রারেড গান দিয়ে প্রত্যেক ভিজিটরকে স্ক্রিনিং করা হবে। প্রথমদিকে শপিং মলের মাত্র ৫০ শতাংশ কর্মী কাজ করবেন।