
শেষ আপডেট: 16 April 2023 02:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed) ও তাঁর ভাই আশরাফকে খুনের ঘটনায় জড়িত আততায়ীরা সংবাদমাধ্যমের কর্মী (Journalists) সেজে সেখানে এসেছিল। মিডিয়ার ভিড়েই তারা লুকিয়েছিল। প্রয়াগরাজে জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এমনটাই দাবি করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ (UP Police)।
পুলিশ জানিয়েছে, 'সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ভিড়েই আততায়ীরা লুকিয়েছিল। মেডিক্যাল করতে নিয়ে যাওয়ার সময় যখন সাংবাদিকরা আতিক ও তাঁর ভাইয়ের বাইট নিচ্ছিলেন, ঠিক সেইসময় ভিড়ের মধ্যে থেকেই গুলি চালায় তারা। গোটা ঘটনাটাই কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ঘটে গিয়েছে। ওঁরা মাটিয়ে পড়ে যাওয়ার পরেও গুলি করেছে আততায়ীরা। তবে সঙ্গে সঙ্গে তাদের পাকড়াও করা হয়েছে।'
উল্লেখ্য, যেহেতু মিডিয়া বাইটের সময়ই এই ঘটনাটি ঘটে, তাই পুরো ব্যাপারটাই ধরা পড়ে যায় ক্যামেরায়। তাতে দেখা গিয়েছে, একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক থেকে মাথায় গুলি করার ফলে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আতিক। এরপর তাঁর ভাইকেও সামনে থেকেই গুলি চালানো হয়। দু'জন মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরেও তাঁদের ঘিরে ধরে পরপর গুলি চালাতে থাকে ওই আততায়ীরা। সঙ্গে জোরে জোরে 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান দিতে থাকে তারা। তবে এই ঘটনায় আরও দু’জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন সংবাদকর্মী এবং অপরজন পুলিশেরই এক কনস্টেবল।
এদিকে প্রয়াগরাজে আততায়ীদের হাতে আতিক এবং আশরাফের খুনের ঘটনার পরই প্রশ্নের মুখে পড়েছে সে রাজ্যের পুলিশের ভূমিকা। তবে এই ঘটনায় কেবল পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নয়, উঠছে আরও হাজার প্রশ্ন! কেন পুলিশ পাল্টা গুলি চালাল না, কেনই বা সেই ত্রস্ততা দেখা গেল না তাঁদের মধ্যে? অনেকেই ভিডিও দেখে বলছেন, যেন মনে হচ্ছে সবটাই আগে থেকে সাজানো ছিল!
আতিক এবং তাঁর ভাইকে খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তাদের নাম লাভলেশ তিওয়ারি, সানি এবং অরুণ মৌর্য। এদের বাড়ি যথাক্রমে বান্দা, কাসগঞ্জ আর হামিরপুর এলাকায়। এই তিনজনই বর্তমানে পুলিশ কাস্টডিতে রয়েছেন।
'সতর্ক থাকুন', পুলিশকে নির্দেশ যোগীর! আতিক হত্যার পর রাতেই জরুরি বৈঠকে আদিত্যনাথ