
শেষ আপডেট: 25 January 2019 18:30
পুলিশকে দেওয়া বয়ানে কুর্শিদ জানান, তিলজলার একটি এলাকায় প্রোমোটিংয়ের কাজ করছেন তিনি। সেই কাজ ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত। জানা যাচ্ছে, কুর্শিদের প্রোমোটিংয়ের বিরোধিতা করেছেন ওই এলাকার বেশ কয়েকজন ভাড়াটে পরিবার। তাদের দাবি, কুর্শিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন বাড়ির মালিকরাও। তাই কয়েকটি ভাড়াটে পরিবারের সমর্থন পেয়েই কুর্শিদের বাড়ি হামলা চালায় তাজউদ্দিনের লোকজন। এমনকী ভাড়াটেদের কথায় এসে ঝুমা দাস নামে এক বাড়ি মালিকের বাড়িতেও তাণ্ডব চালায় তাজউদ্দিন।
গতকালের ঘটনায় তাজউদ্দিন ও তার সঙ্গীদের চিহ্নিত করতে পেরেছেন কুর্শিদ। তাজউদ্দিন হায়দার ছাড়াও দলটিতে ছিল সমীর, বিকাশ, অনিল, রকি, হাবিজ নামে স্থানীয় গুন্ডারা।দাবি, এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হলেও অভিযুক্তদের খুঁজতে তৎপর হয়নি পুলিশ। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, রাতেই ক়ড়েয়া থানার পুলিশের কাছে হামলার খবর আসে। কিন্তু, পুলিশের চোখে ধুলো দিয়েই তাজউদ্দিন সহ অনেকেই চম্পট দেয়। ঘটনায় আটক তিন জনকে গ্রেফতার করার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।
গত ১২ জানুয়ারি তপসিয়ার লোহাপুর এলাকায় দুষ্কৃতীর গুলিতে নিহত হন এক যুবক। বিবাদের জেরেই যুবককে গুলি করে এক রিক্সা চালাক বলে খবর। এখনও অভিযুক্তকে ধরতে পারেনি পুলিশ। সেই ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় ফের কয়েড়া থানা এলাকাতেই গুলি, দুষ্কৃতী তাণ্ডব। প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।
Breaking: প্রজাতন্ত্র দিবসে উত্তপ্ত উপত্যকা, চলছে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই, নিহত ২ জঙ্গি