
জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল শাহজাহানের - ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 29 April 2024 14:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জেলেই থাকতে হবে শেখ শাহজাহানকে। সোমবার সন্দেশখালি মামলার মূল অভিযুক্তকে কলকাতার নগর দায়রা আদালতে পেশ করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি। আদালত তাঁকে ১৩ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে সন্দেশখালির অস্ত্রভাণ্ডার এবং জমি দখলের টাকার ইস্যুতে বিস্ফোরক দাবি করেছে ইডি।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার বক্তব্য, সন্দেশখালির জমি দখলের বেআইনি টাকা রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর কাছে গেছে! অন্তত ২-৩ জন মন্ত্রী এর সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেছে ইডি। এই বেআইনি টাকার একটা অংশ দিয়েই অস্ত্রভাণ্ডার তৈরি হচ্ছিল বলে মনে করছে গোয়েন্দা সংস্থা। তাঁদের অনুমান, সন্দেশখালিতে উদ্ধার হওয়া বিপুল অস্ত্রের সঙ্গেও এই টাকার সংযোগ আছে।
শাহজাহানের বিরুদ্ধে ইডির অভিযোগ এখানেই শেষ নয়। আদালতে তাঁরা এও দাবি করেছে, টেন্ডার নিয়ে বেনিয়ম করে পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ফেরি সহ বিভিন্ন সরকারি টেন্ডার অবৈধভাবে নিজের অনুগামীদের টেন্ডার পাইয়ে দিয়েছেন তিনি। এই অভিযোগ করেই শাহজাহান সহ বাকি ধৃতদের জামিনের বিরোধিতা করেছে ইডি।
সোমবার আদালতে শাহজাহান ছাড়াও তোলা হয়েছিল তাঁর ভাই আলমগির, অনুগামী দিদার বক্স মোল্লা এবং শিবপ্রসাদ হাজরাকে। প্রত্যেকের জন্যই ১৪ দিনের জেল হেফাজত চাওয়া হয়। এদিন অবশ্য জামিনের আবেদন করেননি সন্দেশখালির 'মুকুটহীন বাদশা'।
গত শুক্রবার বাংলায় যখন ভোট চলছে সেই সময়ই সন্দেশখালিতে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডারের হদিশ পাওয়া গেছে। আসলে সন্দেশখালিতে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের আত্মীয়ের বাড়ির মেঝে খুঁড়ে বিপুল অস্ত্রের হদিশ মেলে। তল্লাশি চালিয়ে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রচুর পরিমাণ বোমা উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। দেশি-বিদেশি অস্ত্রের সঙ্গে শাহজাহানের একাধিক পরিচয়পত্র উদ্ধার হয়েছে। সিবিআই-এনএসজি-র অভিযানে বিপুল অস্ত্র উদ্ধারের পর ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে শাহজাহানের সঙ্গে কি আন্তর্জাতিক অস্ত্রপাচার চক্রের যোগ ছিল?