
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 14 April 2025 19:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুর্শিদাবাদের অশান্তি (Murshidabad News) এখনও ধিকিধিকি জ্বলছে। সেখানকার পরিস্থিতি ঠান্ডা হতে না হতেই গরমাগরম ভাঙড় (Bhangar)। সকাল থেকেই দফায় দফায় অশান্তি তৈরি হয়েছে। মাঝে খানিকক্ষণ তাতে ভাঁটা পড়লেও আবারও তা চাগাড় দিয়ে উঠেছে। যার নেপথ্যে আইএসএফ বিধায়কের নওসাদের (Naushad Siddiqui) উস্কানি খুঁজে পেলেন শওকত মোল্লা (Saokat Molla)।
ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে সোমবার বিক্ষোভ দেখায় আইএসএফ। নওসাদের বক্তব্য, তৃণমূল যতই রাজ্যে আইন কার্যকর না করার ব্যাপারে গলা ফাটাক, পরোক্ষে তারাও বিষয়টা সমর্থন করছে। যদিও ক্যানিং পূর্বের বিধায়কের কথায়, ভাঙড়ে দফায় দফায় যে অশান্তি, ভাঙচুর, পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে তাতে নওসাদদেরই মদত রয়েছে।
শওকতের কথায়, "আইএসএফ-এর মতো চার পয়সার দলকে তৃণমূলের এখনও বাধা দেওয়ার মতো দুরাবস্থা হয়নি। মানুষ ওদের সঙ্গে মিছিলে যেতে চাইছে না। তা-ই ওরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে এসব কথা বলছে।"
বস্তুত, এদিন মিনাখাঁ, বাসন্তী, ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে দলে দলে আইএসএফ নেতা-কর্মীরা কলকাতা যাওয়ার জন্য রওনা দিলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। বিক্ষোভে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বাসন্তী হাইওয়ে।
লাঠিচার্জ করে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনলেও উত্তপ্ত হয়ে উঠে শোনপুর এলাকা। বিক্ষুব্ধরা পাঁচ পাঁচটি পুলিশের বাইক আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। ভেঙে ফেলা হয় একের পর এক গাড়ির কাচ। সিসি ক্যামেরা। আক্রান্ত হয় পুলিশও।
এই প্রসঙ্গে আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির দাবি, উত্তেজনা ছড়াচ্ছে খোদ পুলিশ। রাজ্যে যে ২৬ হাজার চাকরি গিয়েছে, সেই দিক থেকে মানুষের মন ঘোরাতেই এই পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।
ভাঙড়ের বিধায়কের মতে, ঠিক সেই কারণেই ওয়াকফ আইনের বিরোধিতা করে রামলীলা ময়দানের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ আটকে দিয়ে ইচ্ছাকৃত গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা করেছে।