
শেষ আপডেট: 1 January 2020 18:30
প্রাণহানির খবর এখনও অবধি মেলেনি। ধ্বংসস্তুপে অনেকের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। পৌঁছেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল।
মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল টুইট করে বলেছেন, "এই ঘটনায় আমি দুঃখিত। দমকলকর্মীরা চেষ্টা করছেন। আটকে পড়াদের দ্রুত উদ্ধার করা হবে।"
গত ডিসেম্বরেই বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে দিল্লিতে। পশ্চিম দিল্লির মুন্ডকা এলাকায় ভয়াবহ আগুন লাগে একটি প্লাইউডের কারখানায়। উত্তর-পশ্চিম দিল্লির কিরারা এলাকায় একটি কাপড়ের গুদামে আগুন লেগে মৃত্যু হয় ৯ জনের, আহত হন ১০ জন।
তার আগে দিল্লির রানি ঝাঁসি রোডের আনাজ মান্ডি এলাকার চারতলা বাড়ির তিনতলায় আগুন লাগে। সেই সময় বাড়ির ভিতরে ঘুমিয়ে ছিলেন শ্রমিকরা। ব্যাগ, জুতো তৈরির ওই কারখানায় প্লাস্টিক, রেক্সিনের মতো দাহ্য বস্তু জমা করা ছিল প্রচুর পরিমাণে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে তিনতলা ও চারতলায়। দরজা, জানলা বন্ধ থাকার কারণে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেননি অধিকাংশই। ঝলসে যান অন্তত ৬৩ জন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদের মধ্যে মৃত্যু হয় ৪৩ জনের। পুলিশ ও দমকল বাহিনীর কর্তারা জানিয়েছেন, কারখানার ভিতরে বিদ্যুতের লাইনে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগে যায়। তারপর দাহ্য বস্তু থেকে সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কারখানার মালিক রেহান ও ম্যানেজার ফুরকানকে গ্রেফতার করা হয়।