
শেষ আপডেট: 5 January 2024 18:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাসন্তী। সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে দেদার গুলি চলেছে বলে অভিযোগ। যদিও এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। গুলি চলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকা ঘিরে রেখেছে তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসন্তী থানার অন্তর্গত চড়াবিদ্যা পঞ্চায়েতের ৭ নম্বর কুমড়োখালি গ্রাম। সেই গ্রামেই বসবাস করতেন হামজুদ্দিন নাইয়া। তিনি জীবিত থাকাকালীন ৫০ শতক জমি কিনেছিলেন। বর্তমানে সেই সম্পত্তি মৃত হামজুদ্দিনের পরিবারের লোকজনের দখলে রয়েছে।
শুক্রবার সকালে ওই ৫০ শতক জমি দখল করতে আসে পুকুরপাড়া যুব তৃণমূল কর্মী মোক্তার লস্কর। সঙ্গে তার দলবল ছিল। অভিযোগ, বাঁশ, খুঁটি দিয়ে জমি ঘিরতে গেলে তাদের বাধা দেন মৃত হামজুদ্দিনের পরিবার। বাধা পাওয়ায় মোক্তার ও তার দল বল হামজুদ্দিনের আত্মীয়দের উপর চড়াও হয়। রেয়াত করা হয়নি বাড়ির মহিলাদের। তাঁদেরও বাঁশ-লাঠি, লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই গন্ডগোলের সময়েই কয়েক রাউন্ড গুলিও চলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বাসন্তী থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আক্রান্ত ছায়মা লস্কর জানিয়েছেন,''তখন আমরা ঘুমাচ্ছিলাম। সেই সময় মোক্তার লস্কর ও তার দলবল বাঁশ, খুঁটি ও দড়ি নিয়ে এসে আমাদের জায়গা দখল করছিল। আমার শাশুড়ি প্রতিবাদ করলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। আমরা উদ্ধার করতে গেলে আমাদেরও মারধর করা হয়। পরনের কাপড় ছিঁড়ে দেয়। আমাদের চিৎকার কান্নাকাটি শুনতে পেয়ে প্রতিবেশীরা বাঁচাতে এলে তখন ওরা গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।''
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ''সম্পত্তি নিয়ে সকালবেলায় দুই পরিবারের মধ্যে বচসা চলছিল। চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছিল। সেই সময় কয়েক রাউন্ড গুলি চলার শব্দ শুনতে পাই। তারপরে পুলিশ আসে।''
ঘটনা প্রসঙ্গে বাসন্তী ব্লক তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, ''সম্পত্তি নিয়ে একটা পারিবারিক বচসা হয়েছে। সেই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।''