
শেষ আপডেট: 27 October 2020 18:30
মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, বাইরে থেকে গাভী আনার ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা রয়েছে। পরিবহণ, শারীরিক অসুস্থতা-সহ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই রাজ্য সরকার পরিকল্পনা করেছে বিজ্ঞানসম্মত ভাবেই রাজ্যের গাভীদের সিমেন প্রয়োগ করা হবে। তাঁর কথায়, "দেখা গিয়েছে, সিমেন প্রয়োগ করার ফলে যে বাছুরের জন্ম হয় তার মধ্যে ৯০-৯৫ শতাংশ স্ত্রীলিঙ্গের। এবং তাদের দুধ দেওয়ার ক্ষমতাও বেশি।
বিপ্লব দেব আরও বলেন, "ত্রিপুরার মানুষ পাউডার দুধের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল। তার কারণ এখানে গোদুগ্ধ পর্যাপ্ত পরিমাণ পাওয়া যায় না। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেই সংকটও মিটতে চলেছে।"
সিপিএমকে সরিয়ে ত্রিপুরার ক্ষমতায় আসার পরেই গো পালনে বিশেষ জোর দিয়েছিল বিপ্লব দেব সরকার। পাঁচ হাজার পরিবারকে আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর করতে দুটি করে গরু দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ত্রিপুরা। কিন্তু সেই প্রকল্প যে দাঁড়ায়নি তা এদিন নিজেই স্বীকার করে নেন বিপ্লব দেব। তিনি বলেন, ওই প্রকল্প সাফল্য না পাওয়ার অন্যতম কারণ বাইরে থেকে গরু আনার সমস্যা। তবে আত্মবিশ্বাসী বিপ্লবের দাবি, এই প্রকল্প সফল হবেই হবে।
যদিও বিরোধীদের অনেকে টিপ্পনি কেটে বলছেন, আসলে বিজেপি সরকার চায় রাজ্যে গরুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাক। বৌদ্ধিক বিকাশ নষ্ট করে গরু বাড়ানোই ওদের উদ্দেশ্য।