
শেষ আপডেট: 14 October 2018 18:30
মধুরিমা রায়
কাউন্ডাউন শেষ। পর্দা উঠে গেছে। পুজোর মহালগ্নে প্রবেশ করে গেছি আমরা সবাই। সাজ আর ভোজ নিয়ে নানা পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের সকলেরই। কোনদিন কী পরব আর কোনদিন কী খাব। আমাদের শহরে এমন অনেকেই আছেন যাঁরা খাওয়াতে ভালোবাসেন। সাজাতে ভালোবাসেন। তেমনই এক জন দক্ষিণ কলকাতার সুদীপা গুহ। গত ১৬ বছর ধরে সাজ আর ভোজ নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন। দূরদর্শনের সঞ্চালিকার কাজের প্রস্তাবকে পেছনে ফেলেই বিবাহসূত্রে তাঁকে চলে যেতে হয় রাজ্যের বাইরে। কিছুদিন শিক্ষকতা। তার পর ফের রাজ্যে ফেরা। রাজ্যে ২০০২-এর পর একাধিক বেসরকারি চ্যানেলগুলোতে তাঁর সঞ্চালনা চলতে থাকে পুরোদস্তুর। সৃষ্টিশীল সুদীপা বরাবরই ছবি আঁকতেন, সেই উৎসাহেই কনে সাজাতেন ক্লাস নাইন থেকে। সেই অভ্যাসকেই পেশা করতে শুরু করলেন তিনি। বাড়িতেই প্রথিতযশা মেক-আপ আর্টিস্ট বুদ্ধদেব চক্রবর্তীর কাছে প্রথাগত পাঠ নিলেন মেক-আপের। শুরু করেছিলেন মাত্র ৬০০ টাকায় কনে সাজানো দিয়ে, ৫০০ কনে সাজিয়ে ফেলেন ২০০৯ এর মধ্যে। সংখ্যাটা ১০০০ যখন ছুঁয়ে ফেলে তখনই ফেসবুক পেজ করেন সুদীপা। তাঁর কাছে মেক-আপের শিক্ষা নিয়ে বহু মেয়ে স্বনির্ভরও হয়েছেন। [caption id="attachment_43067" align="alignnone" width="691"]
ব্রাইডাল মেক আপও করান সুদীপা[/caption]
এরই সঙ্গে সুদীপা ২০০৪ থেকে ফুড-কলামনিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন একটি বাংলা ম্যাগাজিনে।শেষ কয়েক বছর ধরেই সুদীপা বেকারির নেশায় বুঁদ থেকেছে।বহু শেফের কাছে শিখে নিয়েছে রকমারি স্বাদ এবং ডিজাইনের বাহারি কেক। সে সব কেক আজকাল অর্ডার দিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানেও নিয়ে যায়। সুদীপা বলছে এ বার পুজোয় কেক-পেস্ট্রি চলতে থাক সঙ্গে ব্যাগে রাখুন অ্যান্টাসিড। বাঘাযতীনের গাঙ্গুলিবাগানের এই দশভূজা বলছেন চাইলেই সব করা যায় এবং সংসার সামলেই তা সম্ভব।অর্থাৎ যে কোনও পরিস্থিতিতে “অ্যান্টাসিড” হল আমাদের ইচ্ছাশক্তি।
দ্য ওয়াল পুজো ম্যাগাজিন ১৪২৫ পড়তে ক্লিক করুন