হামলাকারীদের মোবাইল ফোনগুলো কেড়ে নিন, হাইকোর্টের নির্দেশ পুলিশকে
দ্য ওয়াল ব্যুরো : অভিযোগ, দু'টি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের সদস্যরা ষড়যন্ত্র করে ৫ জানুয়ারি জেএনইউতে হামলা চালিয়েছিল। দিল্লি হাইকোর্ট সোমবার পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, দু'টি গ্রুপের প্রত্যেক সদস্যকে ডেকে পাঠান। তাদের মোবাইলগুলি বাজেয়াপ্ত করুন। কারণ ত
শেষ আপডেট: 14 January 2020 08:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো : অভিযোগ, দু'টি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের সদস্যরা ষড়যন্ত্র করে ৫ জানুয়ারি জেএনইউতে হামলা চালিয়েছিল। দিল্লি হাইকোর্ট সোমবার পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, দু'টি গ্রুপের প্রত্যেক সদস্যকে ডেকে পাঠান। তাদের মোবাইলগুলি বাজেয়াপ্ত করুন। কারণ তদন্তের জন্য সেগুলি প্রয়োজন হবে। একইসঙ্গে হাইকোর্ট গুগল ও হোয়াটস অ্যাপকে নির্দেশ দিয়েছে, আইন অনুযায়ী তারা যেন সংশ্লিষ্ট সব মেসেজ, ছবি ও অন্যান্য ডাটা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
বিচারপতি ব্রজেশ শেঠি এদিন জেএনইউয়ের রেজিস্ট্রার প্রমোদ কুমারকে নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি যেন পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করেন। পুলিশকে সব তথ্য দেন। এর আগে হোয়াটস অ্যাপ হাইকোর্টকে জানিয়েছিল, যে মোবাইল থেকে মেসেজ পাঠানো হয়েছে এবং যে মোবাইল তা গ্রহণ করেছে, তার কোনও একটি পেতে হবে। না হলে অভিযুক্তদের মেসেজগুলি তারা উদ্ধার করতে পারবে না।
অমিত পরমেশ্বরন, শুক্লা সাওয়ান্ত ও অতুল সুদ নামে তিন অধ্যাপক আদালতে আর্জি জানিয়ে বলেন, 'ইউনিটি এগেন্সট লেফট' ও 'ফ্রেন্ডস অব আরএসএস' নামে দু'টি গ্রুপ জেএনইউতে হামলায় জড়িত ছিল। ওই দু'টি গ্রুপের মেসেজ উদ্ধার করতে পারলে তদন্তে সুবিধা হবে।

এর আগে জানা যায়, জেএনইউতে যে সিসিটিভিগুলি লাগানো ছিল, তার ছবি এখনই পাওয়া যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের আয়তন ১০০০ একর। সেখানে ১৩৫ টি সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। কিন্তু ইউনিভার্সিটির সার্ভারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই ছবি পেতে সমস্যা হচ্ছে।
তিন দিন আগে পুলিশ জানায়, 'ইউনিটি এগেন্সট লেফট' গ্রুপের ৩৭ জন সদস্যকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। তাদের ১০ জন এখন আর জেএনইউয়ের ছাত্র নয়।