
শেষ আপডেট: 30 July 2023 10:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংবাদমাধ্যমের স্পটলাইট সবসময় তাঁদের ওপর। পুলিশ কড়া নির্দেশ দিয়েছে, কোনওভাবেই বাড়িছাড়া যেন না হয়। সকলের নজর তাঁদের ওপরই। তাই এবার পুরনো বাড়ি ছেড়ে উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডার একটি বাড়িতে গিয়ে উঠেছেন শচীন-সীমা (Seema-Sachin)।
নজরে শুধু সীমা আর শচীন নন, গোটা পরিবারই ঘরের মধ্যে আটকে। কাজ নেই, খাবার নেই। কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে শচীনদের। সীমার গলায় আক্ষেপের সুর। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সীমা জানান, তাঁর জন্য যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেই কারণে ব্যথিত তিনি।
অনলাইন এক গেমিং প্ল্যাটফর্মে নয়ডার বাসিন্দা শচীন মীনার সঙ্গে আলাপ হয় সীমা হায়দারের। তারপর সেই শচীনের প্রেমে পড়ে চার সন্তানকে নিয়ে ভারতে পালিয়ে এসেছিলেন পাকিস্তানের সীমা। নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন তিনি। কী উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতে এসেছেন, সেটাই এখন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শচীনের বাবা নেত্রপাল মীনা বলেন, 'আমরা দিন আনি দিন খাই। কিন্তু পুলিশের নির্দেশে ঘর থেকে বের হতে পারছি না। বাড়িতে খাবার নেই। বাইরে না বের হলে কাজও জুটছে না। পরিস্থিতি খুবই খারাপ।' তিনি চান যত তাড়াতাড়ি এই ঘটনার নিষ্পত্তি ঘটে ততই ভাল। শেষে নেত্রপাল বলেন, 'এই ব্যাপারটা যত দ্রুত মিটে যায়, ততই মঙ্গল। আমরা বেঁচে যাই।'
শচীনদের নতুন বাড়িতে শনিবার এসে দেখা করেন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন লোক শক্তির সভাপতি মাস্টার স্বরাজ। তিনি জানান, 'শচীন ও সীমার সঙ্গে তাঁদের নতুন বাড়িতে এসে দেখা করলাম। তাঁরা নিজেদের বাড়িতেই বন্দি। তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাপন সঙ্কটের মুখে। তাঁরা আমায় জানিয়েছেন, পুলিশের র্যাডারে রয়েছে। এই ঝামেলা থেকে মুক্তি চান শচীন-সীমা।'
আরও পড়ুন: হাওড়া-বর্ধমান শাখায় ফের বাতিল ট্রেন! কোন কোন লোকাল চলছে না জেনে নিন