
শেষ আপডেট: 18 July 2023 09:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমা হায়দার (Seema Haider), ভালবাসার টানে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে এসেছিলেন তিনি। সেই সীমা নাকি পাকিস্তানি (Pakistani Agent) গুপ্তচর, পাক সেনার সঙ্গে যোগ রয়েছে তাঁর, এমনই দাবি করছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এসটিএফ!
নয়ডার বাসিন্দা শচীনের প্রেমে পড়ে চার সন্তানকে নিয়ে ভারতে পালিয়ে এসেছিলেন সীমা হায়দার নামের ওই যুবতী। ভালবাসার মানুষটাকে বিয়ে করবেন বলে বদ্ধপরিকর ছিলেন তিনি। তারপরই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন।
হাজতবাস, তারপর মুক্তি পেয়ে বিয়ে--- নদী দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গেছে। কিন্তু সোমবার ফের তাঁরা সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন। খবর মেলে, খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না নাকি তাঁদের। বেমালুম বেপাত্তা যুগল। কিন্তু পরে জানা যায়, শচীন ও সীমা 'নিখোঁজ' নন, তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।
কিন্তু কেন? পুলিশের এক সূত্রের দাবি, সীমার সঙ্গে পাক সেনার যোগ রয়েছে কিনা সেটাই খতিয়ে দেখার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সীমাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, তাঁর কাকা পাক সেনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শুধু তাই নয়, তাঁর ভাই নাকি এখন সেনায় রয়েছেন। সীমার এই কথার পর থেকেই 'চরবৃত্তি' দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, সীমার পাসপোর্ট, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড ও মেসেজ সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেইসব তথ্যই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকালে ফের সীমা, শচীন ও তাঁর বাবাকে তুলে নিয়ে যায় এসটিএফ। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত সীমা যা দাবি করেছেন, তা সত্যিই কিনা সেটাই খতিয়ে দেখার জন্য তাঁর পলিগ্রাফ টেস্ট করানো হতে পারে।
উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এসটিএফ এখন বেশকয়েকটি প্রশ্ন নিয়ে ভাবছে। কেন অবৈধভাবে ভারতে ঢুকলেন সীমা? কীভাবে বেআইনি নথি পেলেন তিনি? নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভিসা ছাড়া কীভাবে নয়ডায় ঢুকে পড়লেন? এইসব প্রশ্ন নিয়েই কাঁটাছেঁড়া করছে এসটিএফ।