
সর্বমঙ্গলা মন্দির
শেষ আপডেট: 19 December 2024 17:58
বাসন্তী পোলাও, ধবধবে সাদা চালের ভাত সঙ্গে মুগের ডাল ও পাঁচ রকমের ভাজা। তাছাড়াও রয়েছে দু'রকমের তরকারি, চাটনি, পায়েসও। না এ কোনও নিরামিষ পাইস হোটেলের থালি নয়, বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরের নবান্ন ভোগ।
এভাবেই মালসা সাজিয়ে দেবীকে ভোগ দেন মন্দিরের সেবায়েতরা। একই সঙ্গে গুড়, চাল, মিষ্টি, ফল দিয়ে তৈরি করা হয় নবান্নের প্রসাদ।
কার্তিক মাস পড়তেই কৃষিপ্রধান জেলা বর্ধমান জুড়ে নবান্ন উৎসব শুরু হয়। দুর্গাপজোর মতোই আমজনতা নবান্ন উৎসবে মেতে ওঠে। সর্বমঙ্গলা মন্দিরের নবান্ন উৎসবের দিনই অনেক গ্রামে নবান্ন শুরু হয়। মানুষ সেই প্রসাদ খেয়ে নতুন ধানে হাত দেন। ওই দিন নবান্ন উৎসব ঘিরে ভক্তদের ঢল নামে মন্দিরে। সকলেই পুজো দেন। বাড়ি ফেরেন দেবীর মালসাভোগ ও প্রসাদ নিয়ে।
এবারের অনুষ্ঠানে দর্শনার্থীদের ভিড়ে কাউন্সিলর স্বীকৃতি হাজরাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, অন্যান্য বছর মন্দির চত্বরেই বসিয়ে ভোগ খাওয়ানো হয়। তবে এ বছর মালসা বিলির আয়োজন করা হয়েছে।
মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই নির্দিষ্ট দিনে প্রায় ১২০০ র বেশি ভোগ বিলি করা হয়েছে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সামলাতে স্কাউট আর পুলিশের কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। ইতিহাস গবেষক সর্বজিৎ যশ জানিয়েছেন, সর্বমঙ্গলা মন্দিরের নবান্নের আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। যুগ পাল্টালেও নবান্নের উৎসবের গৌরব হারায়নি।