
শেষ আপডেট: 18 February 2024 17:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোটা সন্দেশখালি জুড়ে ১৪৪ ধারা লাগু হয়েছিল। তবে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হওয়ার পর তা খারিজ করে আদালত। বলা হয়, গোটা এলাকাজুড়ে ধারা প্রয়োগের কোনও অর্থ দেখতে পাচ্ছে না হাইকোর্ট। এরপর প্রশাসনের তরফে এলাকাভিত্তিক ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। মোট ১৯টি জায়গায় ধারা জারি ছিল। এখন চারটি জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়েছে।
সন্দেশখালি থেকে খুব তাড়াতাড়ি এই ধারা তুলে নেওয়া হতে পারে তার আন্দাজ আগে মিলেছিল। সেই মতোই রবিবার চারটি এলাকা থেকে এই ধারা তুলে নেওয়া হয়েছে। রবিবার বিকেলের পর থেকে কুলেপাড়া, দাউদপুর, গোপালঘাট এবং আতাপুরে আর ১৪৪ ধারা বহাল থাকবে না। যদিও বাকি ১৫ এলাকায় এখনও আগের নিয়ম বজায় থাকবে। সেইসব এলাকা থেকে ধাপে ধাপে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে।
রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার শনিবারই জানিয়েছিলেন, সন্দেশখালিতে আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ প্রশাসন বন্ধপরিকর। এলাকাভিত্তিক পর্যালোচনা করেই সমস্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সঙ্গে তিনি বলেন, যে সব এলাকায় ১৪৪-এর দরকার নেই, সেই সব জায়গায় এক-দু’দিনের মধ্যে ১৪৪ ধারা তোলার প্রক্রিয়া শুরু হবে। রবিবার হয়তো তারই প্রথম ধাপ ছিল।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ মূলত যাদের বিরুদ্ধে ছিল তাদের মধ্যে ইতিমধ্যে দুজন গ্রেফতার হয়েছে। একজন উত্তম সর্দার, অন্যজন শিবু হাজরা। তাঁকে রবিবারই ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে বসিরহাট আদালত। শনিবার রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের সাংবাদিক বৈঠকের কিছুক্ষণের মধ্যেই ন্যাজাট তৃণমূল জেলা পরিষদ সদস্য শিবু হাজরাকে গ্রেফতার করা হয়। সন্দেশখালি-২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদেও রয়েছেন শিবু।
শেখ শাহজাহানের হদিশ কিন্তু এখনও পায়নি পুলিশ। ৪৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও অধরা সন্দেশখালির দাপুটে নেতা। কেন শাহজাহানকে এতদিনে গ্রেফতার করা গেল না সেই ব্যাখ্যা ইতিমধ্যে দিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তিনি ইডিকে নিশানা করে প্রশ্ন করেছেন, ''শাহজাহানের বিরুদ্ধে ইডি অভিযোগ দায়ের করেছে। তাহলে ইডি কেন তাঁকে গ্রেফতার করেনি?''