
শেষ আপডেট: 11 November 2023 10:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জ্বর, গায়ে-হাতে পায়ে প্রচণ্ড যন্ত্রণা, চোখের পিছনে ব্যথা, বমি। কারও কারও গায়ে র্যাশ। এমনই হাজারো উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৬০জন। বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের ঘটনা।
সরকারি সূত্রে খবর, আক্রান্তদের শরীরে স্ক্রাব টাইফাসের নমুনা মিলেছে। ২ জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তবে স্ক্রাব টাইফাসের কারণেই তাঁদের মৃত্যু কিনা, স্পষ্ট নয়। আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শোভন দে জানিয়েছেন, মৃতদের দেহের নুমণা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হলেই এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে বলা যাবে। আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জনের শরীরে স্ক্রাব টাইফাসের ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। বাকিদের পরীক্ষা চলছে। রক্তের নমুনাও নেওয়া হয়েছে।
গোটা ঘটনাটিকে ঘিরে এলাকায় রীতিমতো উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নতুন করে যাতে আর কেউ আক্রান্ত না হন, সেকারণে গ্রামে পাঠানো হয়েছে মেডিকেল টিমও।
কীভাবে মানব শরীরে প্রবেশ করে স্ক্রাব টাইফাসের ভাইরাস?
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, ট্রম্বিকিউলিড মাইটস নামে এক ধরনের মাকড়ের কামড়ে শরীরে ঢোকে স্ক্রাব টাইফাস ব্যাকটেরিয়া! তারপর থেকেই রোগীরে শরীরে জ্বর, গায়ে-হাতে পায়ে প্রচণ্ড যন্ত্রণা, চোখের পিছনে ব্যথা,বমি, গায়ে র্যাশ - এই লক্ষণগুলির প্রকাশ পেতে থাকে। মাকড়ের কামড়ের বিষ এতটাই যে, ঠিক সময়ে ধরা না পড়লে ঘটতে পারে।
মৃত এবং আক্রান্তদের সকলেরই বাড়ি যত বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের ১ নং ব্লকের গাজিপুরের একটি পাড়ায়। স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই পাড়ায় জনজাতির বাসিন্দারা বসবাস করেন। বেশ কিছুদিন ধরেই বাসিন্দাদের মধ্যে জ্বর, গায়ে-হাতে পায়ে প্রচণ্ড যন্ত্রণা, চোখের পিছনে ব্যথা, বমিভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। শুরুর দিকে সকলে ভেবেছিলেন ডায়রিয়ার প্রকোপ। পরে হাসপাতালে নমুণা পরীক্ষা হতেই জানা যায়, স্ক্রাব টাইফাসের ভাইরাসের কথা।