দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর খুলেছে সায়েন্স সিটি (science city)। সেই সায়েন্স সিটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চলেছে কর্তৃপক্ষ। সেখানে বাংলাকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাঙালি মনীষী-বিজ্ঞানীদের জীবনের বিভিন্ন কীর্তি, ঘটনার তথ্যচিত্র তৈরি করার কথা ভাবা হচ্ছে। ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি আকারে এই তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে। পাশাপাশি, অটোমেটিক রেইন গেজ তৈরি করতে চলেছে সায়েন্স সিটি কর্তৃপক্ষ।
পুরোনো আকর্ষণের পাশাপাশি নতুন কিছু আকর্ষণও থাকছে দর্শকদের জন্য। সেই আকর্ষণের তালিকায় যেমন আছে থ্রিডি টাইম মেশিন, তেমনই আছে গান্ধীজির জীবনকালের কিছু ঘটনাবলীর প্রদর্শন। এই প্রদর্শনের মধ্যে দিয়ে গান্ধীজিকে নতুনভাবে জানতে পারবে মানুষ, এমনই মত সায়েন্স সিটি কর্তৃপক্ষের।
আরও নতুন কী কী যোগ হচ্ছে তালিকায়? ভারতীয় চলচ্চিত্রকারদের তৈরি করা কিছু তথ্যচিত্র দেখতে পাবেন দর্শকরা। থ্রিডি এই তথ্যচিত্রে থাকবে নতুনত্ব।
আরও পড়ুনঃ দুর্গা পুজো করবেন মহিলারা, শুনে কী বললেন শাস্ত্র বিশেষজ্ঞ?
কী সেই নতুনত্ব? সায়েন্স সিটির ডিরেক্টর অনুরাগ কুমারের কথায়, 'যেসব নতুন প্রকল্প আমরা আনতে চলেছি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল স্পেস থিয়েটারে এক সিনেমার আয়োজন করা। এটা একদমই নতুন। ভারতের বিভিন্ন চলচ্চিত্রকারদের দিয়ে এই সিনেমা তৈরি করা হবে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলার মনীষী, বিজ্ঞানীর ওপর আধার করে এই সিনেমা তৈরি হবে। এছাড়াও বাংলার প্রকৃতিও জায়গা পাবে এই সিনেমায়।'
অর্থাৎ বাঙালি বিভিন্ন মনীষী, বিজ্ঞানীদের জীবন তুলে ধরা হবে এই তথ্যচিত্রে। ত্রিমাত্রিক এই তথ্যচিত্রের ভাবনা এর আগে পাননি দর্শকরা। বিশ্বের প্রথম এই ভাবনা রূপান্তর করতে চলেছে সায়েন্স সিটি কর্তৃপক্ষ। সেখানে আচার্য জগদীশ চন্দ্র বোস থেকে রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দের মতো ব্যক্তিত্বের জীবনী থ্রিডি আকারে উঠে আসবে পর্দায়।

'এছাড়াও পরিবেশ পরিবর্তন কিভাবে হচ্ছে তারওপরও একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করার ভাবনা আছে। পাশাপাশি, সায়েন্স সিটির অন্দরে বসবে একটি অটোমেটিক রেইন গেজ। এর মাধ্যমে দর্শক বৃষ্টির পূর্বাভাস সরাসরি জানতে পারবেন। এছাড়াও ছোট-বড় নানান প্রদর্শনী ভবিষ্যতে আসতে চলেছে।' যোগ করেন অনুরাগ কুমার।

আগামী দিনে সায়েন্স সিটিতে গেলে এইসব আকর্ষণের সঙ্গে পরিচয় ঘটবে দর্শকদের। তবে এখনও কিছু নতুন আকর্ষণ শোভা পাচ্ছে সায়েন্স সিটিতে। যা আগে দেখেননি দর্শকরা। সেই তালিকায় উল্লেখযোগ্য থ্রিডি টাইম মেশিন। মোশন সিমিলেটর বা টাইম মেশিনে চড়ে উৎসুকরা বিভিন্ন সময়ে পাড়ি দিতে পারবেন।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা