
শেষ আপডেট: 24 June 2019 10:05
পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, মুজফফপুরের হাসপাতালগুলিতে যথেষ্ট সংখ্যক চিকিৎসক ছিলেন না, বেডের সংখ্যা ছিল কম, ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটেও যথাযথ ব্যবস্থা ছিল না। এর ফলেই ১২৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
যিনি ওই আবেদন করেছেন, তাঁর নাম মনোহর প্রতাপ। তিনি পেশায় আইনজীবী। তিনি জানিয়েছেন, মৃতদের বয়স এক থেকে ১০-এর মধ্যে।
বিহারের ৩৮ টি জেলার মধ্যে ২০ টিতেই ছড়িয়েছে অ্যাকিউট এনসেফেলাইটিস সিনড্রোম। যদিও স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের দাবি, রোগের প্রকোপ কমে আসছে। রাজ্যে প্রথম ওই রোগে মৃত্যুর খবর আসে ৫ জুন। অনেকেই অভিযোগ করেন, মুজফফপুরের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ওই রোগের মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়।
পিটিশনের ওপর শুনানির সময় বিচারপতিদের বেঞ্চকে জানানো হয়, এর আগে উত্তরপ্রদেশেও একই রোগ দেখা দিয়েছিল। আদালত ওই রোগ সম্পর্কে বিহার সরকারকে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে। ওই পিটিশনের ওপরে ফের শুনানি হবে ১০ দিন পরে।
২০১৭ সালে মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেটের এক সংখ্যায় বলা হয়েছিল, মে মাসের মাঝামাঝি থেকে জুন মাস পর্যন্ত অ্যাকিউট এনসেফেলাইটিস সিনড্রোম বেশি দেখা যায়। ওই সময় লিচু চাষ হয়। ১৯৯৫ সালে মুজফফপুরে ওই রোগ মহামারী আকারে দেখা গিয়েছিল। ঘটনাচক্রে মুজফফপুরেই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লিচুর চাষ হয়।