
শেষ আপডেট: 5 July 2022 10:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামান্য খুচরো পয়সা, তাও মাত্র দু’টাকার কয়েন (coin)। আর তাই নিয়েই কিনা নিত্যদিনের অশান্তি শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে (hospital)। সেই বিপদে ত্রাতা হয়ে এসেছেন ভিখারিরা (Beggers)।
ঘটনাটি তবে খুলেই বলা যাক। বেশ কিছু অভিজ্ঞ চিকিৎসক থাকার ফলে নদিয়ার শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীদের ভিড় লেগেই থাকে। নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগে টিকিটের মূল্য মাত্র দু’টাকা। সমস্যা সেখানেই। দু’টাকার খুচরো দিতে গিয়েই হিমশিম খাচ্ছেন রোগীরা। বেশিরভাগ রোগীই ন্যূনতম পাঁচ কিংবা দশ টাকা দিচ্ছেন। তাঁদের টাকা ফেরত দিতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা কাউন্টারের কর্মীদের।
নিত্যদিনের এই ঝমেলায় জেরবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই অবস্থা রোগীদেরও। তাঁদের সঙ্গে কথায় কথায় ঝামেলা বেঁধে যাচ্ছে হাসপাতালের। রোগীদের পরিজনদের দাবি, বড় নোট তো দেওয়া হচ্ছে না, সবসময় সঙ্গে দু’টাকার কয়েন না থাকতেই পারে। সেক্ষেত্রে টিকিটের দাম হিসেবে ৩ টাকা নিয়ে ২ টাকা ফেরত দিক কর্তৃপক্ষ। স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য সেই দাবিও মানতে নারাজ হাসপাতালের কর্মীরা।
তাঁদের দাবি, ২ টাকা খুচরো ফেরত দেওয়া যদিও বা সম্ভব হয়, তারপর আরও ১ টাকা দেওয়া খুবই সমস্যার। রোগীদের দেওয়া খুচরো পয়সা যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ খুচরো ফেরত দিতে সমস্যা হয় না। সমস্যা হয় তার পরে।
এই বিপদে পরিত্রাতা হয়ে এগিয়ে এসেছেন ভিক্ষুকরা। রবিবার ভিখারিরা এলে তাঁদের কাছে থাকা খুচরোর সঙ্গে নোট বদল করে নেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রয়োজনে সাহায্য করেন হকাররাও। আপাতত এভাবে চালু রয়েছে ওই হাসপাতালের আউটডোর পরিষেবা।
ঘটনাটিকে এই মুহূর্তে বিশেষ আমল দিতে নারাজ হাসপাতালের সুপার। তবে দীর্ঘদিন এভাবে চললে বিষয়টি সত্যিই বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন রোগী এবং হাসপাতালের কর্মীরা।
বোমা বাঁধতে গিয়ে ফের মৃত্যু রাজ্যে! ডোমকলের ঘটনায় হাতও উড়ল একজনের