
শান্তনু ঠাকুর এবং সুকান্ত মজুমদার
শেষ আপডেট: 10 June 2024 20:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নরেন্দ্র মোদী ৩.০-র মন্ত্রিসভা গঠন হয়ে গেল। কে কোন দফতর পেলেন তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। বাংলা থেকে দুজন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন রবিবার। তাঁরা হলেন সুকান্ত মজুমদার এবং শান্তনু ঠাকুর। সোমবার জানা গেল তাঁরা কোন দফতরের মন্ত্রী হলেন। শান্তনু ঠাকুরের দফতর বদলায়নি। সুকান্ত প্রথমবার মন্ত্রী হয়েছেন।
উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়ন এবং শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। অন্যদিকে আগের মতোই জাহাজ প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে শান্তনু ঠাকুরকে। উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়ন এবং শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। অন্যদিকে আগের মতোই জাহাজ প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে শান্তনু ঠাকুরকে। প্রথমবারের জন্য মন্ত্রী হয়ে সুকান্ত দুটি দফতরে কাজের সুযোগ পেয়েছেন। অন্যদিকে শান্তনু ঠাকুর আগের সরকারেও জাহাজ প্রতিমন্ত্রীর পদে ছিলেন। সেক্ষেত্রে পুরনো দফতরই আবার ফিরে পেয়েছেন তিনি।
গত লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার বাংলায় বিজেপির ফল আরও খারাপ হয়েছে। ১৯ থেকে আসন সংখ্যা নেমে গেছে ১২-তে। তাই বাংলা থেকে যে বেশি কেউ মন্ত্রী হবেন না, হলেও তাঁরা প্রতিমন্ত্রীই হবেন, এটা হওয়ারই ছিল। সেক্ষেত্রে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এবং বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর শিকে ছিঁড়েছে। আর অতীতের মতোই মোদীর নেতৃত্বে নতুন এনডিএ সরকারেও বাংলা কোনও কেউ পূর্ণ মন্ত্রী হয়নি।
তৃণমূল কংগ্রেস এই বিষয়টিকেও কেন্দ্রীয় বঞ্চনা বলেই দাবি করে। এই নিয়ে বারংবার তাঁরা সুর চড়িয়েছে যে বাংলা থেকে কেন পূর্ণমন্ত্রী কাউকে করা হয় না। সোমবার নারদা মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন মদন মিত্র। তিনিও এই বিষয়ে বিজেপি সরকারকে খোঁচা দিয়ে বলেন, বাংলা ১০০ দিনের টাকা যেমন পায় না, মন্ত্রীও পায় না। এটাই ভাগ্য। এদিকে সুকান্ত এবং শান্তনু মন্ত্রী হতেই মুখ খুলেছেন তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন।
ভিডিও বার্তায় তাঁর বক্তব্য, ''মন্ত্রীত্ব বন্টন করে বিজেপি আরও একবার বুঝিয়ে দিল যে তাদের কাছে বাংলার কোনও গুরুত্ব নেই। ১৮টি সাংসদ পেয়েও বাংলা পূর্ণমন্ত্রী পায় না, ১২ জন সাংসদ হলেও পূর্ণমন্ত্রী করা হয় না।'' শান্তনুর খোঁচা, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তাবড় নেতারা বাংলায় ডেলি প্যাসেঞ্জারী করে আসেন। বাংলাকে অপমান করেন, নারীদের অসম্মান করেন। সারা বছর ধরে রাজ্যকে বঞ্চনাও করে তাঁরা। বাংলার কাউকে পূর্ণমন্ত্রী না করে বিজেপি আরও একবার বুঝিয়ে দিল যে তারা বাংলাকে পছন্দই করে না। সাফ কথা শান্তনুর।